অসহ্য এই ইট পাথরের দেয়ালে ডুকরে কাঁদে; আমাদের আবেগ, ইচ্ছে আর পাওনাগুলো হতাশারা সব ফিরে ফিরে আসে সেই দেয়ালের আঘাতে। যন্ত্রনা বড় কষ্ট দেয়, শান্তি তাই ফাঁকি দেয়; মনের মেঘ কালো থেকে ঘোর কালো আজ। কান্নারা ডুকরে কাঁদার কোন জায়গা খুঁজে পায়না। ছোট্ট একটুকরো মাটিতে দোদুল্লমান প্রান; কোথায় কখন পা…
Month: September 2015
কথোপকথন
তোমার কাছে আমি চেয়েছি একটা তারা ভরা রাত চাঁদের আলোয় স্বপ্নের কথোপকথন, সাদা সাদা মেঘেদের ভেসে চলা, জোনাক পোকার আলোর চুকোচুরি, রাতের পাখির ক্লান্ত ডানা জাপটানো, আর শেয়ালের ডাক, এই বিশাল শূন্য রাতে চেয়েছি তোমার আমার স্বপ্নের সাঁকো বাঁধতে। কাশবনে সাদা ফুলে ছেয়ে গেছে তোমার অঙ্গ সবুজের হাতছানি দিয়ে ডাকে বিশাল…
আজ তোমার মন খারাপ
আজ তোমার মন খারাপ, কষ্টে আছ খুব আকাশের কালো মেঘে জানিয়ে দিয়ে বার্তা। তোমার মনের বারান্দায় ঠিক আমি আছি তোমার সাথে সঙ্গী হয়ে, একা নও তুমি সব দুঃখ, সুখ আর মনের উঠোনে আমি ঠিক এক হয়ে তোমার সাথে ভিজে যাবো, কষ্টের নোনা জলে। খুব যখন ঝড় বয়ে যায় দেখো তোমার…
তার আগে আমি তোর হতে চাই
তুই আমাকে নিয়ে যা সেই অচিনপুরে যেথায় গেলে আমার ভেতরের আমিটা তুই হয়ে যাবি। তোর স্পর্শ আমাকে তোর করে দেবে, তোর দেহের প্রতিটা শিরা উপশিরায় আমি বয়ে যাবো, তোর বক্ষে আমাকে ধারন কর দেখে নে আমার অন্তর, লুকিয়ে রেখেছি কি তাও খুঁজে নে। তোর জন্য এই জান প্রান উজাড় করে…
পাগলী আমার
তুমি একটা পাগলী আমার, একটা সোনাপাখি তুমিময় আমার জীবন, সাথে দুইটি আঁখি। টিয়া, প্রিয়া, ময়না পাখি, মিলি আমার নীলা সারাটাক্ষণ আমার আছো আগেও যেমন ছিলা। চাঁদের চেয়েও সুন্দরী তাই দেখে থাকি রোজ হাজার ফুলের মালা গেথে জুঁই, বেলী আর রোজ। লক্ষ কোটি তারা আমি তোমার নামে নেবো সূর্যটাকে তোমার খোঁজে দূরে পাঠিয়ে দেবো।…
আকাশ ছুঁয়ে
পাহাড়ি ঝর্নার মত অবিরত বয়ে চলেছ আমার জীবনের নৌকার গুলুই স্পর্শ করে। তুমি বয়ে যাও বলেই এতো অঝোর ধারায় কাঁদতে পারি, দাড় বেয়ে যাবো বলে কঠিন মনকে বশ মানাতে পারি। আমি বাঁধন ছাড়া নদীর কিনারা ঘেশে যাবো বলে বায়না ধরিনি। যদি যেতেই হয় কেনো মাঝ দরিয়ার পাগলা স্রোতের সাথে সন্ধি…
তুমি আমার অষ্টাদশী
তুমি আমার অষ্টাদশী এক অরণ্যের রানী, সবুজ সবুজ গাছের ফাঁকে তোমার চোখের খেলা তুমি চেয়ে থাকো, আমার মাঝে ঝরনা বয়ে যায়। তুমি হেঁটে যাও, এক মোহময় আবেশ ছড়িয়ে যায়। গাছের পাতা তুমি, আলতো করে ঝরে পড়, আমি দু হাত ভরে তোমাকে আমার করে নেই। প্রতিবার পাতা ঝরে আমি হাত পেতে…
চন্দ্রস্নান
চন্দ্রস্নানে যাবো তোমার সঙ্গে আজ অপূর্ব সুন্দর, অসহ্য আর নেশা ধরানো চাঁদ। রূপোলী আলোয় আলোকিত ধরণী নেশা ছড়িয়ে দিয়ে যায় অরণ্যে। নিজের রঙে আজ রাঙিয়েছে সব সমুদ্দুর আর পাহাড়ের চূড়া। তুমি আর আমি প্রেমের কাব্য নিয়ে সাত জন্মের প্রতিজ্ঞা বুকে ধরেছি। চাঁদের আবার রূপ হয়? তোমাকে দেখার পরে। চাঁদের আবার…
অস্পৃশ্য অনুভুতি
অনন্তকাল জেগে থাকার প্রত্যয়ে তোমাকে খুঁজে নিয়েছি। চাদের আলো বা সূর্যের তেজ, তোমার মুখছবি আমি চেয়ে দেখেছি। অসীম এই পথ যদি শেষ না হয়? তোমার হাত ধরে হেঁটে যাবো লক্ষ কোটি মাইল। তবুও তুমি আমার, সমুদ্দুর বা অরন্যের মাঝে, আমার হৃদয় জুড়ে মেঘের ফাঁকে আলো তুমি। আমার স্মৃতিগুলো জীবন পায় তোমার ছোঁয়াতে।…
মাঝ রাতে
এখনো জেগে আছি তোমার প্রতীক্ষায় মাঝ রাতে চুপচাপ চারিদিক তোমার খোঁজে আমার এই মন জেগে রবে হাজার বছর।
পারছিনা থাকতে
আমি আর পারছিনা থাকতে তোমাকে ছাড়া বুকটা কেমন হুহু করে মনটা পাগল পারা। চোখের কোনে জল জমেছে ঝরছে টুপটাপ সন্ধ্যে বেলায় বৃষ্টি হবে ঝরবে ঝুপঝাপ। মনের আকাশ কালো হলো মেঘ করেছে কবে তোমার আমার দুই কালোতে বৃষ্টি ঠিকই হবে। আর পারিনা থাকতে আমি এই তোমাকে ছাড়া আমার মনের আকাশটাকে দিচ্ছে…
মনের রঙ্গে তোমায় এঁকেছি
ভেবে দেখো মনের রঙ্গে তোমায় এঁকেছি কি নেই সেথায় সোনালী আভাটুকু আর রুপালী আলো সব দিয়েছি ঢেলে তোমায় আঁকতে হবে এতো ছেলে খেলা না চাইলেই তো তুমি হবেনা অনেকটুকু রঙ্গে রাঙ্গাতে হবে তোমায় তাই তো মনের রঙ্গে এঁকেছি তোমায়
আমি চাঁদকে দেখে ঠাট্টা করি
অসীম পথ আমি হেঁটে যাবো আমি জানি সেইখানে গেলেই তোমায় পাবো। আমার আমিটা আমার সাথেই আমার জন্য অপেক্ষায় আমি ছুয়ে দিতে যাবো তোমার সিঁথি, তোমার অন্তর আর অধর। আমি তোমাকে আমার মাঝে কবেই আপন করে নিয়েছি। আমার আত্মার আত্মীয় করে বেঁধে নিয়েছি আপনার সাথে। তুমি কবির কবিতার শব্দ, ছন্দ কেটে…
এক ফালি রোদ
সকালের এক ফালি রোদ এসে তোমায় মনে করিয়ে দেয়। প্রতি ভোরে তোমার আমার সূর্য স্নান। চোখের কোনায় লালচে আলোর খেলা, তোমাকে ছুঁতে গিয়েও ফিরে আসা, অস্পৃশ্য এক ভালো লাগার খেলা, সূর্যটা বড় বেশি বেয়াড়া, রোজ আসে ছুঁয়ে দিতে তোমায়; ওর নাকি তোমায় না ছুঁলে সকাল হয় না কি যে মায়াবী…
অসহ্য এক সুন্দরী তুমি
অসীম পথ আমি হেঁটে যাবো আমি জানি সেইখানে গেলেই তোমায় পাবো। আমার আমিটা আমার সাথেই আমার জন্য অপেক্ষায় আমি ছুয়ে দিতে যাবো তোমার সিঁথি, তোমার অন্তর আর অধর। আমি তোমাকে আমার মাঝে কবেই আপন করে নিয়েছি। আমার আত্মার আত্মীয় করে বেঁধে নিয়েছি আপনার সাথে। তুমি কবির কবিতার শব্দ, ছন্দ কেটে…
লালচে আলোর খেলা
সকালের এক ফালি রোদ এসে তোমায় মনে করিয়ে দেয়। প্রতি ভোরে তোমার আমার সূর্য স্নান। চোখের কোনায় লালচে আলোর খেলা, তোমাকে ছুঁতে গিয়েও ফিরে আসা, অস্পৃশ্য এক ভালো লাগার খেলা, সূর্যটা বড় বেশি বেয়াড়া, রোজ আসে ছুঁয়ে দিতে তোমায়; ওর নাকি তোমায় না ছুঁলে সকাল হয় না কি যে মায়াবী…
আমার বুকের নীল দেয়ালে
আমার বুকের নীল দেয়ালে তোমার ছবি একেছি, সকাল, দুপুর, সাঁজের বেলা তোমাকেই দেখেছি। কপালের টিপে তোমার পূর্ণ চাঁদের আলো, একটু না অনেক খানি লাগছে তোমায় ভালো। হাজার ফুলের রঙে তোমার টুকটুকে রঙ গালটা, কাজল কালো চুলের দোলায় কাটছে আমার তালটা। চোখে তোমার গভীর মায়া, টলটলে এক পুকুর, সকাল থেকেই তোমায় দেখি হোকনা…
ক্ষ্যাপা প্রেম
এই মেয়ে তুই আমায় ছেড়ে কই যেতে চাস? তুই চলে গেলে ভাবলি আমি কাটবো ঘাস? তুই শুধুই আমার মনে রাখিশ, আরো জানিস এই বুকেই তুই আছিস, থাকবি তুই আজীবন, এই জীবন, আর জনম, সাত জনম। আমার সোনা পাখি তুই, আমার গোলাপ, বেলী, জুঁই। এই মনটা তোকে ছুঁই ছুঁই আবার বলি…
সাতরঙা প্রজাপতি
আমার পাঁচিল ঘেরা মনের বাগানে তুমি এক সাতরঙ্গা প্রজাপতি আমি সেই বাগানে তোমায় দেখছি চুপিচুপি জানি চোখে চোখ পড়লেই হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে দূরে কোথাও হয়ত সেইখানে তুমি আমি হয়ত যাবো কোন দিন রঙের মিছিলে আজ কান্ডারি আমি খুঁজে খুঁজে রঙ চুরি করে রাঙ্গাবো তোমায় রঙদের স্পর্ধা আমি সামলে নেবো ঠিকই কি দোষ…
স্বপ্ন সাজাই
লাল টুকটুকে ঠোঁটে রোজ রাতে আমি কাব্য সাজাই চোখের পানে চেয়ে সমুদ্দুর পাড়ি দেই ঝরতে থাকা ঝরনার মত তোমার প্রেমে ঝরতে চাই আকাশের কালো মেঘে আমার মনের উঠোন অন্ধকার তোমার হাঁসি এসে সকাল করে দিয়ে গেলো বন্ধ ঘরে অন্ধ হয়ে থমকে থাকা ছুটে এসে আমার বুকে হুমড়ি খেয়ে তোমার পড়া…
আমার বৃষ্টির স্বপ্ন
আজ বহুদিন বাদে বৃষ্টি হচ্ছে। যেমনটা আমি চেয়েছিলাম সেই কবে। খুব ইচ্ছে আমার তোমাকে নিয়ে বৃষ্টিবিলাস করার। চারপাশে সবুজ গাছে ঘেরা একটা শান্ত সবুজ জলের পুকুর। মনে আছে আমি তুমি প্রায় যে স্বপ্নটা দেখতে পেতাম? ঠিক তেমন একটা সবুজ জলের পুকুর। টলটলে জল। গাছের পাতারা ভেলা বানিয়ে ভাসছে জলে। নিস্তব্দ সুনশান…
আকাশে শেষ রাতের লাল আভা
আমি চেয়ে দেখি ভোর হয়েছে, আকাশে শেষ রাতের লাল আভা, দখিনা হাওয়া প্রবল বেগে গাছের পাতা ছুঁয়ে যায়। উঁচু মগডাল আনমনে জমিন ছুঁতে চায়। তেমনি আমি তোমার হৃদয় ছুঁতে চাই। তোমার লুকোচুরি চোখে আমি লজ্জা দেখি, তোমার হাসি লজ্জার বাঁধ ভেঙ্গে দেয় আমি তোমার হাঁসি চিনি, তুমি লজ্জাবতী আমি তোমার…
নীল পদ্মের সাথে সন্ধি
তোমার অই লাল ঠোঁটে আমার হৃদয় দোলে আমার জীবন দোলে তোমার লাল রঙে। তুমি আমার রঙ হয়ে আমার হৃদয়ে আমার একটা রংধনু হয়ে আকাশে ছড়িয়ে দিলাম আমার স্বপ্ন গুলো। আমার স্বপ্নের সারথী তুমি আমার একা না হয়ে থাকা তুমি আমার অই স্বপ্ন রঙের আকাশের সেই স্বপ্নগুলো তোমায় ঘিরে। আমায় দিও…
বৃষ্টি দিয়ে ঘর বানাবো
বৃষ্টি দিয়ে ঘর বানাবো তুই হবি মোর জল আকাশ থেকে মেঘ নামাবো ছুঁয়ে দিবি বল। সবুজ দিয়ে রঙ ছড়াবো ঘর রাঙ্গাবো তোর পাখির ডাকে ঘুম ভাঙ্গাবো যখন হবে ভোর। ঝরনার ঐ জলের ধারায় শুদ্ধ হবো চল বাতাস এসে উড়িয়ে দেবে তোর শাড়ীর আঁচল। প্রজাপতির রঙ দিয়ে তোর রাঙ্গাবো ঐ মন অপলক…
প্রেমিক আমি
প্রেমিক আমি তোমার প্রেমে হাবুডুবু এই প্রাণ, তোমার জন্য লক্ষ কোটি হাজারবার দিতে পারি এই প্রাণ। তুমি আমার চাঁদের আলো, সূর্যের প্রখর তেজ, তুমি একদিন আমার হবে জানি আমি তা বেশ। আমার জান পাখি তুমি, আমার একটা লক্ষ্মী, তুমি আমার সোনার ময়না, আমার টিয়া পক্ষী। থেকো সাথে চিরদিন আমার জীবনসঙ্গী…
হাত বাড়িয়ে ছুঁতে চাই তোমার সুখের আঁধার
তুমি আমার সন্ধ্যা বেলার লক্ষ তারার মেলা তুমি আমার হিয়ার মাঝে নানান সুরের খেলা। সুর আমাকে ভাসিয়ে নেয় রঙিন দিনের কাছে দিকবিদিক ছুটছি আমি, খোঁজ টা তোমার মিছে। একটু এসে হাতটা ধরো, জড়িয়ে নাও বুকে চেয়ে দেখ আমার হৃদয় তোমার দিকে ঝুঁকে। তোমার ঠোঁটের গোলাপী রঙ পাগল পাগল করে রিতিমত বুকটা আমার উঠছে…
অষ্টাদশীর কোমল পদ্মরাজি
তোমার মাঝে ঝরে পড়ে জোস্নার আলো, আগুন রাঙ্গা তোমার ওই রূপ, আকাশের কালো মেঘ হার মেনেছে তোমার চুলে, চোখের টলটলে জলে হাবুডুবু খায় হংস মিথুন, রংধনুর ষষ্ঠ রঙ তোমার অধরে আঁকা, চিবুকে হাত রেখে কসম খায় এক জোয়ান যুবক। তোমার বুকের উত্তাল যৌবন আছড়ে পড়ে, ভেঙ্গে খান খান করে দেয়…
তোমার কথা
তোমার চোখের পানে চেয়ে কাটিয়ে দিতে পারি হাজার রাত তোমার কথা আমায় টেনে নিতে পারে হাজারটা পথ হাজারটা দিন ঘুরে কাটাতে পারি তোমার খোঁজে তোমার চিবুকে আমি হাত রেখে বলতে পারি তুমি আমার তোমার ঠোঁটের জন্য আমি দাঙ্গা বাধাতে পারবো
পটভূমি
বিশাল একটা শূন্যতা আমাকে গ্রাস করছে দৈনিক পালটে যাচ্ছে পটভূমি, হতাশা আর অস্থিরতা সব মিলেমিশে একাকার হয়ে আছড়ে পরছে আমার উঠোনে আমি ঠায় দাঁড়িয়ে তোমার পথে চেয়ে। তুমি একটু আনমনা, ভাবুক আজ তুমি কিজানি ভাবছ। আমি জানি হাজারটা ঝর, দমকা বাতাস, আর মনের অজানা ভয় তোমাকে কুরে কুরে খাচ্ছে, তোমার ভাবনাগুলো…
গোলাপী ঠোঁটে নেশা
তোমায় একটা সকাল দেবো বলে রাত্রি জেগে থাকা, রোদেরা খেলা করে তোমার চোখে, অপলক চেয়ে থাকে গাছের পাতা, পাখিরা হিংসে করে তোমায় দেখে, আর তোমার চিবুকে ছলকে পড়ে রঙের মিছিল। স্নিগ্ধ সকালের আলোয় এ তোমারই রূপ। চুলগুলো উড়ে যায় হিমেল বাতাসে, চোখের পাতার ফাঁকে এখনো মেলে দেখেনি সেই চোখ, যে চোখে তারারা…
আমার কবিতাখানি
আমার কবিতাখানি তোমারো চরণে লুটিয়া পড়িল; তোমারি আশ্রয় তলে। আমি বারে বারে ডাকিনু তাহারে ফিরিয়া চাহিল না আমারো পানে। তুমি আমার ভাষা হইয়া আমারো কবিতায় ঝরিয়ে পড়িলা। আমারো চিন্তার মধ্যমনি হইয়া ফুটিয়া রহিলা। কে বলেছে গো তুমি আমরো নহে? এই যে দেখোনা নদীর স্রোত চিরকাল বহে? তুমিও বহিয়া যাও আমারো পরানো…
আজও দাঁড়িয়ে আমি
তুই লুকোচুরি খেলছিস সন্ধ্যাবেলায়, তুই লুকোচুরি খেলছিস অন্ধকারে, রাত আর দিনভর অবিরাম চলে, লুকিয়ে লুকিয়ে কয়েক ক্রোশ, আস্থির বা মনের আক্রোশ, হতাশা আর না পাওয়ার ক্ষোভ, সবই ধরা দেয় তোর লুকোচুরিতে। আমি ঠায় দাঁড়িয়ে তোর আশায়, অবিরাম ভালোবাসায় তোর মনের খোঁজে, তোর ভালবাসার আশায়, আজও দাঁড়িয়ে আমি। তবুও চলছে তোর লুকোচুরি খেলা; পারবো না…