চা ও তিনটা অনু কবিতা

চা, ফু মেরে খাও নিমিষে মিলিয়ে যাও। চোখ বুজে চাও অনুভবে পাও।। 🌷 চা হলো আত্মা চা হলো স্বত্তা, আবগে জড়িয়ে আছে একাকীত্বের খুব কাছে। 🌷 চা ছাড়া চলে না, মুহুর্তরা জমে না। ক্ষণে ক্ষণে চাই তোমায় আবেগে আর ভালোবাসায়।

আকাশের রঙে

চল যাই হারিয়ে, ঐ দূর দিগন্তে। ডানা মেলে রঙিন প্রজাপতি আর পাখির সাথে পাল্লা দিয়ে চল যাই হারিয়ে, সীমানা ছাড়িয়ে। আকাশের নীলে মিশে হই একাকার।। চল যাই হারিয়ে, অজানার পথে। আকাশের রঙে নিজেকে রাঙ্গাই।

দুর্বার দুরন্ত

এক খাবলায় তুলে নেবো পৃথিবীর যত পাপ। আমি তারুন্য, আমি যৌবন, আমি খুঁজে ফিরি যত অন্যায় আর অভিযোগ। আমি বন্য, আমি দুরন্ত, আমি হবো না কখনো শান্ত, আমি তেড়ে, ফুঁড়ে, চিৎকারে; হুংকারে, ঝংকারে, সত্যের সাথে সন্ধি। করিনা আপোষ, সম্মুখে আগুয়ান, আমি কেড়ে নিয়ে আসি, যা সবার তাই শুধু বিলাবার।।

কুত্তা কেন্নে জ্বালা খায়

চিন্তা করো মফিজ কুত্তা কেন্নে জালা খায়? মফিজ মিয়া বেয়ান অইলে হনুফাগো বায়িত যায়।। চিন্তা করি বেক্কে মিলি টোগাই টাগাই চাইতো অইবো, কিল্লাই হেতে বেয়ান বিয়াল হনুফা গো বায়িত যাইবো?? শীতের ভিত্তে মফিজ্জা হিডা খাইতো গেছে হেমুই। চিল্লাই বিল্লাই করে কাইজ্জা সাইয়্যা হিডা খাইবার লাই।। রসের সিন্নি রাইনছে বলে হাইঞ্জুনা…

বাইসাইকেল

তুমি আমি টুং টাং বাইসাইকেল চেপে, ঘাস পাতা মাড়িয়ে, সীমানা ছাড়িয়ে, প্রজাপতির পাখায় চড়ে স্বপ্নে ভাসা। পেছনে পড়ে রয় অজানা অতীত আর ধুলো জমা গল্পের বইরা।। – ২৪-১২-২০১৭

সোনা রোদ

সকালের সোনা সোনা রোদ, পথের ধুলায় এসে লুটিয়ে পড়ে। হঠাত বৃষ্টি এসে ধুয়ে মুছে সব, আকাশের সাথে সন্ধি করে, তোমার আংগিনায়, নৌকো বাঁধা, সময় করে এসে দেখে যেও, কি মায়ায়, কি আবেগে চেয়ে আছে মন। – ১৩-১২-২০১৭

পুষ্পদাম

এ কোন চোখে চেয়েছিলে তুমি চার পাশে জলের স্পর্শ চাঁদের আলো আর অদ্ভুত চাহুনী ফুল ফুটে পুষ্পদাম হলো মরুভুমি।।। – 25-12-2017

কুয়াশা

কুয়াশায় ডূবে আছি অহর্নিশি ডুবে যেতে চাই সারা নিশি। সকালের সোনা রোদে পা ডুবিয়ে শিশিরে হেটে যাই পথে এগিয়ে। ভেজা পায়ে এ এক স্বর্গীয় সুখ আমি খুঁজে ফিরি সেই প্রিয় মুখ। আধো পথে তোমার চিহ্ন পাই, গা এলিয়ে সমুখে এগিয়ে যাই। – 19-12-2017

অন্ধ গলিতে

মেঘের ঐ নীলে চলো হারিয়ে যাই? এক হয়ে অন্ধ গলিতে হারাই আপন মনে। এই জীবন বড্ড বন্ধী, বড় বেশি মেকি সাঁজ। কত অসহায় ভেবে দেখো তুমি আমি যে যেখানে। – তসৌ ২৫-১২-২০১৭

মুচকি হাসি

চাঁদের আলো ছুঁইতে গেলে মুচকি হেসে কয়, বামন হইয়া চাঁদের পানে কেমনে হাত বাড়াও??

নৌকো

সকালের সোনা সোনা রোদ, পথের ধুলায় এসে লুটিয়ে পড়ে। হঠাত বৃষ্টি এসে ধুয়ে মুছে সব, আকাশের সাথে সন্ধি করে, তোমার আংগিনায়, নৌকো বাঁধা, সময় করে এসে দেখে যেও, কি মায়ায়, কি আবেগে চেয়ে আছে মন।

আজন্ম

আমি খুঁজতে চাই বারে বারে তুমি, চাদের আলো আর তোমারে ভালোবাসিবারে আজন্ম তাই যেন হৃদয় এ তোমারেই পাই।

শেষ রাতে

শেষ রাতে যেদিন তোমায় শুনিয়েছিলাম হ্রদয়ের গল্প সেদিন থেকেই তোমার চোখে সূচনা হয়েছিল প্রেমর অল্প স্বল্প। আমি গন্ধ এনেছিলাম মুঠো ভরে জোনাক পোকার আলোয়। চাঁদের ঐ রুপোলী আলো রেখেছি আজো কৌটোয় ধরে। এক নিমিষে ছুঁতে পারি তোমার ছুঁয়ে দেয়া আঙ্গুল। অভিমানী তুমি বড্ড বেশী কবেই দিয়েছো আড়ি। – তসৌ –…

চিলে কোঠার রোদ্দুরে

চিলে কোঠার রোদ্দুরে চোখ দেবে যায় নিরবে, ভাবলেশহীন নির্লিপ্ততা ঠোঁটের শুষ্ক আদরে। আমি কে প্রশ্ন ভীষণ আত্না কাঁদে অস্থিরতায়, হৃদয়ে ভেজা শিউলি নিরবে বিলায় জীবন। – তসৌ ০৩-০৭-১৭

স্পর্শ খুঁজি

ঘুমিয়ে থাকবো বলে জেগে থাকি রোজ ভোরে তোমার আলিংগন, স্পর্শ, আমি আজীবন গায়ে মাখি। এভাবেই প্রতিদিন, আদরে, আবদারে; আমার আঙিনায় তোমার শব্দ শুনি। স্পর্শ খুঁজি এখানে ওখানে।

সময়গুলো এমন কেন

সময়গুলো এমন কেন এই ভালো এই মন্দ, সদর দরজা খোলা ছিল এখন আবার বন্ধ। দুচোখ থেকেও তাইতো আমি আজ আবধি অন্ধ। হৃদয় জুড়ে বিকট আর উৎকট পোড়া গন্ধ, সুখ ছেড়ে তাই সারা বিকেল দুখের সম্মন্ধ। হৃদয় পুড়ে অংগার হলো সবটুকু নয় মন্দ। হৃদ মাঝারে ধারন করে, হৃদয় দুয়ার বন্ধ। বুক…

এক ফালি চাঁদ

এক ফালি চাঁদ আর এক রাত জোনাকি আধারের বুক চিড়ে চাঁদ জ্বলা দেখোকি? আধার গুচিয়ে ভোর হলো দেখে যাও, হৃদয়ের গহীনে তোমার কন্ঠ, শুনতে কি পাও?

এইটুকু হৃদয়

এইটুকু হৃদয় এ তুমি আছো জুড়ে, আমার আপন হৃদয় দিয়েছি জমা তোমার আদরে আবডালে ছুঁয়ে আছে। বাড়ছে প্রতিনিয়ত শরীরে, বাড়ছে প্রেম। ভীষণ সুখে মেখে ছুতে চাই তোমার অধর, আজন্ম তোমাকে পাবার ইচ্ছে বেড়েছে রোজ। তোমাকে চাই, কতটা চাই, যতটা চাই ততটাই যেন পাই আত্মার আত্মীয় করে।

রাত জাগা

রাত জাগা তারা আনন্দে আত্মহারা বিলিয়ে জীবন একাকি এই ক্ষনে খুঁজে ফিরি হৃদয় আর তোমার ঐ চোখ আজীবন চেয়ে থাকবো বলে। নন্দিনী তুমি অপ্সরী আর নীলচে জলের কাব্য।

পাখি

চোখের আলো তুই যে আমার মিষ্টি একটা পাখি, তুই শতকোটি আদর আমার বুকের ভেতর রাখি।

মরুভুমি

সে বলে কে তুমি? আমি বলি মরুভুমি। ধুলোয় লুটিয়ে পড়ে, বিস্মৃত অজ্ঞাতসারে।।

অযুহাত

এই মেয়ে অযুহাতে দূরে সরে যেও না, আলগোছে এলো চুল বেঁধে তুমি রেখোনা, অসীম সমুদ্দুর যে চোখ, ঢেউগুলো ছুঁয়োনা, তোমার অবেলার হাসি লুকিয়ে ফেলোনা, ক্ষুর ধার তীক্ষ্ণ চাহুনি, আড় চোখে চেয়োনা, লুটপাট হয়ে গেলে আকাশের গা বেয়ে জলের ফোঁটা, তুমি দু হাত পেতে ভরে নিয়ো না।

আলসেমি

আলসে দিনের আলসে ছোঁয়া, আলতো রবির আলতো আলোয়, অপূর্ব ঐ মুখখানি। ভীষণ রকম চেনা লাগে, আপন আলোয় চেনা ছবি, আমার প্রিয় মুখখানি।

ঘুমটাও স্বার্থপর

এমন যদি হতো আমি পাখির মতো উড়ে গিয়ে পালাই বহুদুরে আর ক্লান্ত ভবঘুরে। তোমার গন্ধ মেখে স্বপ্নে হেঁটে বেড়াই আমি স্বার্থপর তুমি আছো বলে। তোমার ছোঁয়া পেতে আজো জেগে আমি ঘুম আসেনা ঘুমটাও স্বার্থপর।

জমা

তুমি কি আমার স্বপ্ন গুলো জমা রাখতে পারো? বছর শেষে ঠিকই এসে তুলে নিয়ে যাবো। দিন পনের পরে এসে হপ্তা দিয়ে যাবো। জমা শেষে একই সাথে তোমায় কাছে পাবো।

আমার ছন্দের প্রাণ

তুমি গল্প, কবিতা, গান আমার ছন্দের প্রাণ। বেঁধে যাই অবিরাম ভালোবাসা দিলাম। জেনে রেখো ছিলাম, আছি, থাকবো অবিশ্রাম।

গান গাইতে পারিস

তুই গান গাইতে পারিস আমি যদি তোকে ছুঁয়ে দেই তুই ভালবাসতে পারিস আমি যদি তোকে বুকে বেঁধে নেই।

চাঁদটা

রাত জাগা আকাশের একলা সঙ্গী চাঁদটা বিষন্ন মনে তাই তারাদের সাথে মিতালী সাদা মেঘের ভেলায় চড়ে নীল আকাশে এক ঝাঁক পাখির দলে নাম না জানা পাখিটা।

হেয়ালী

তোমার চোখে চেয়ে দেখি এই স্বপ্নগুলো কি খেয়ালে তুমি করছো হেয়ালী? জানেনা মন জানেন অন্তর্যামী। দেয়ালে আনমনে আঁকিবুঁকি করছি কোন খেয়ালে সাদা রঙ কালো হয়ে স্পষ্টত গোচরে। তুমি বড্ড বেখেয়ালী চেয়ে দেখো আমাকে দিন থেকে রাত ধরে মনপুরে তুমি যে। আমি আছি হৃদয়পুরে চেয়ে দেখো সুদূরে একমুঠো ফুল নিয়ে চেয়ে…

ব্যাকুল

বারে বারে তারে আপন করিয়া লইতে ব্যাকুল, চিত্তে যেথায় বাজে বীণা। আমি আপনারে করি পর বারংবার তোমারে পাইতে আমি দিন হীনা।।

নক্ষত্ররাজি

সব থেকে উজ্জ্বল নক্ষত্ররাজি তোমার নামে ধরবো বাজি। লক্ষ, কোটি, হাজার ফুল দেবো খোঁপায় সাজবে চুল।

পুজিব তোমায়

কোন ফুলে পুজিব তোমায় দিশা খুঁজে পাইনে ভালবাসতে দিও মোরে আর কিছুই চাইনে। ফুলের বাগানে গিয়ে ব্যকুল হয়ে রই তুমি কি বেলী নিবে, না গোলাপ, কামিনী, জুঁই? সাদা ফুলের শুভ্রতা আর গোলাপী আভা লালচে রঙের চোখ ধাঁধানো, হলুদ রঙের শোভা। সবগুলোই হাতে তুলে তোমায় দিতে চাই তোমারে পুজিবে সে ফুল…

সোনা রোদ

সকালের সোনা সোনা রোদ পথের ধারে, তোমার পায়ে লুটালো। লাল রঙা গোলাপগুলো রোজ ফোটে তুমি আছো বলেই। সকালটা এতো প্রিয় আজ তোমার স্পর্শদোষে। পথের ধুলো যতই তোমাকে মলিন করতে চায় রিদয় তোমাকে ততোই আপন করে নেয়।

মাঝরাতে

মাঝ রাতে ঘুম ভেঙে যায় আমার বারান্দায় নির্ঘুম রাত জোছনা আর তারাদের সাথে একাকী জেগে আছি দখিনের বারান্দায়। তোমার খোঁজে অস্থির এই মন আনমনে খোঁজে আকাশপানে। তোমার দেখা পাবো বলে বাকি রাত্রি ঠায় দাঁড়িয়ে নিশাচরী প্রানীর সংগে।

জলরঙ

তুই নীল পরী আমার পুরনিমার চাঁদ, তুই জল ছবি আমার জলরঙ নিখাদ। তোর আশায় হাজার বছর, সাত সমুদ্দুর পার। তুই ছাড়া আর কেউই নাই তুই শুধু আমার। ♥ তোকে আমি অনেক্ষানি।

ভিজে যায় নুপুর

বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটায় ঝড়ে পরে তোমার স্মৃতি বিষন্ন হতে গিয়েও হইনা, এই ভেবে। জলের ধারায় তো তুমি মিশে আছো। তোমার পায়ে লুটিয়ে পড়ে জল, ভিজে যায় নুপুর। আমি অপলক চেয়ে থাকি, হিংসে হয়, হ্যা আমার হিংসে হয় বৃষ্টিকে, এতোটা স্পর্শ আমার পাওনা। আমি ভালোবাসি তোমায়, তাই স্পর্শ আমার।।

তোর বসবাস

আমার একটা ভুবন জুড়ে তোর বসবাস প্রাণের মাঝে সকাল সাঁঝে করছে হাঁসফাঁস। কবে পাবো তোর দেখা কবে যাবো কাছে আর পারিনা সত্যিই আমি পরাণ নাহি বাঁচে।

নীল টিপ

নীল টিপটা জুড়ে দিলাম তোমার কপালে। চোখটা ঠিকঠাক, গাঢ় কালচে, চাহুনীটাও ফুটেছে, বুকের মাঝে তাই ধুকপুকানি হুহু করে বেড়েছে। সিঁথির সিধুরটা বড়ই মধুর আনমনে চেয়ে থাকা ওই অবয়বের মায়ায়। মায়াবী তুমি, হৃদয় হরিণী ভালোবাসি তাই এ চোখ আর মায়া।

চাঁদের বাড়ি

তোর সঙ্গে ভাবনাগুলো ভাগাভাগি কালো রঙকে আড়ি স্বপ্ন দেখি একই সাথে একই চাঁদের বাড়ি।

আমৃত্যু ভালোবাসা

আমার যা ছিলো তোর হয়ে গেছে রক্ত মাংসের মানুষ মাত্র ভালোবাসা দিতে পারি যা দেবার আছে। হয়ত এইটুকুই পারি আমি। আমার হৃদয় জুড়ে যেটুকু সবটাই শুধু তুই। এর বেশী কিছু নয় আমৃত্যু ভালোবাসা, হাত ধরে চলে যাবো বহু দূরে।

বেহিসেবি খাতা

জীবনের বেহিসেবি খাতায় বেখেয়ালে করছি কত আঁকিবুঁকি অজান্তে লিখে ফেলেছি তোমার নাম এখন দৃশ্যমান ভালোবাসা আমৃত্যু এ বন্ধন।

রাত পেরিয়ে

তোমায় একটা সকাল দেবো বলে রাত জেগেছি। আপন রংমেশানো চাঁদের আলো ফেলে গেছে হাজার ছায়া কাল রাতে। তারারা চেয়েছে উঁকিঝুঁকি মেরে তোমার দেখা পেতে, বেহায়া হয়ে রাতের পাখি ডানা ঝাপ্টায় ভবঘুরে হয়ে তোমার দেখা পেতে। সকালের লাল আলো তাই লোভী রাত পেরিয়ে তুমি আসবে বলে।

জ্যোৎস্না

তুই জ্যোৎস্না হয়ে আকাশ জুড়ে সঙ্গী লক্ষ তারা। সন্ধি আঁটিস বন্ধ ঘরে আনন্দে আত্মহারা।

ঘুম ঘুম চোখে

ঘুম ঘুম চোখে রাত্রি বিদেয় নেয় সকাল থেকে তোমায় আমি ভালোবাসি সারারাত্রি ভালোবাসার প্রহর শেষে ভোর বেলাতে একটুখানি ছুটি।

ভোর হয়েছিস

তুই ভোর হয়েছিস উঠোন জুড়ে কলমি লতার পাতায়, দিনের আলো ফুটেছে আজ গল্প কাব্যের পাতায়। লেখার খাতার পাতায় পাতায় ছন্দগুলো যেমন জীবন জুড়ে ছড়িয়ে আছিস তুইও ঠিক তেমন।

গুচ্ছ প্রেম

তুই অন্তরে আসিয়া হৃদয় দুয়ারে হাক ছাড়িয়া কহিস, সখা ওগো প্রানের সখা, কোথা হইতে আসিয়াছি যাইব মোরা কোথা? সঙিনি মোরে করিয়া লইও হৃদয় মন্দিরে। তুই আর আমি স্বপ্নটা ছুঁই ছুঁই হাতটা ধরে বারান্দায় রোজ রাতে বাঁচবোই। তুমি ছাড়া রাত্রি বা দিন জীবন হয়ে যাবে ঠিকানাবিহীন।।

ছুঁয়ে যা

ছুঁয়ে যা তুই মনের দেয়াল খুলে দিয়ে দ্বার খানিক থেকেই ফিরে আসিস সন্ধেবেলা আবার। তোর দুচোখে আকাশ দেখে চাঁদ নামাবো বেশ রাতের আলো থাকবে তখন ভোর বেলাতে শেষ। মাঝ পুকুরে নউকো জুরে তুই আর আমি মিলে জোনাক পোকা সংগী হবে নাও ভাসিয়ে দিলে।

লজ্জা

শাড়ির ফাঁকে মুখ লুকিয়ে লজ্জা লজ্জা নিয়ে প্রেম চোখে তাকিয়ে থেকে হরন করে দিয়ে মনটা আমার বাধা আছে শাড়ির আঁচলে মায়া ভরা মুখখানিতে আদরগুলো মিলে।

শুন্য হয়ে যায় শুন্যতায়

খুব করে জড়িয়ে ধরে কাছে টেনে নিয়ে বুকের কাছে জমা কষ্ট এক নিমিষে শুন্য হয়ে যায় শুন্যতায়, নীল আকাশ জুড়ে রাশি রাশি কালো মেঘ। স্পর্শ ব্যাথা ভুলিয়ে দেয়। অভিমানিনী শুন্য হাতে ফিরিয়ে দিও না এসেছি জড়াতে বুকের খুব কাছে। স্পন্দন টের পেতে চাই রোজ রাতে। আপন হৃদয় আঙিনায় স্বপ্নময় রংধনু…