আসেন টাকা ভাঙ্গাই

টাকার ভাংতি করা খুব বিরক্তিকর। একটা ৫০০ বা ১০০০ টাকা ভাংগাইতে খরচ করতে হয় ১০০ বা তারও বেশি। আর ১০০ টাকার পণ্য কিনে ৫০০ দিলেও দোকানী মাঝে মাঝে এমন ভাবে তাকায় যেন আপনি বিরাট অন্যায় করে ফেলছেন এবার বুঝেন নোটটা ১০০০ এর হলে কি হতো? রিক্সা ড্রাইভার জীবনেও আপনাকে ৫০০…

সুপার মুন দেখবো চলেন

১৩ – ১৪ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে সুপার মুন দেখবো চলেন, এ রাতে নাকি চাঁদ সবচেয়ে বড় আর সবচেয়ে উজ্জ্বল সুন্দর। ছাদের উপর উইঠা চাঁদ দেখুম আর গান গামু: চাঁদ সে পরদা কি জিয়ে, কাহি চুরালেনা চেহেরা মেরা।। ** পুচকু পাচকুরা তোমরা গাইতে পারোঃ অায় অায় চাঁদ মামা, টিপ দিয়ে যা,…

টুকরা পোষ্ট

জীবনের খেলা বড্ড বেসামাল, একধারে হারতেই হয়, সেখানে জয়ের ভাগ সিকি আনাও নয়। – তসৌ সম্মুখে যে চেহারা মানুষ দেখে, অন্তরালেই তা ঠিক ভিন্ন রঙের। – তসৌ যাহা আমরা প্রকাশ্যে আনি তাহা মেকি, বাস্তব অনেক কঠিন যা প্রকাশযোগ্য নহে। – তসৌ যদি নাই পারো খোপায় বাঁধতে ফুল, বেধোনা, ছড়িয়ে দিও…

আলসেমি

আলসে দিনের আলসে ছোঁয়া, আলতো রবির আলতো আলোয়, অপূর্ব ঐ মুখখানি। ভীষণ রকম চেনা লাগে, আপন আলোয় চেনা ছবি, আমার প্রিয় মুখখানি।

বর্ণবাদী আমি এবং আপনি

বর্ণবাদী আমি এবং আপনি ——————————————- মানব দেহের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত ক্ষত শুকায় মুখের চামড়ার। সকালে কোন কারণে যদি চামড়া উঠে যায় বা ঘা হয় দুপুর গড়াতে না গড়াতেই তা শুকিয়ে যায়। তার মানে মুখের ঘা বা ক্ষত ক্ষণস্থায়ী এবং দ্রুত সাড়ে এটা বলা যায়। এবার যদি আমরা আমাদের বিবেক টাকেও…

জয় হউক ক্রিকেটের

প্রথম আলোর এক সাংবাদিকের করা প্রশ্নের উত্তরে সাকিব আল হাসান বলেনঃ এখন একজন যে একাই ম্যাচ ঘুরিয়ে দিচ্ছে, সেটা আমি মনে করি না। আগেও বলেছি, ক্রিকেটে তিন-চারজনের অবদান ছাড়া কেউ কখনো ম্যাচ জেতে না। কেউ যতই ভালো খেলুক, এমন তো নয় যে সে একাই ১০ উইকেট নিয়ে নিচ্ছে বা একাই…

রিক্সার সিটগুলো এতো ছোট কেন?

ঢাকা শহরের রিক্সার সিটগুলো এতো ছোট কেন? শরীরকে মেলা সামঞ্জস্য করে বসতে হয়। বারবার এ্যডজাস্ট করে নিতে হয় কম্পিউটারে রিফ্রেস বাটন চাপার মত। আর এদিক থেকে মফস্বলের রিক্সাগুলো বেশ বড়সড়। আয়েশ করে বসা যায় একটা ভাব ও আসে রিক্সায় বসলে। ঢাকা শহরে মোট গনপরিবহণ দরকার ১৮ হাজার কিন্তু বর্তমানে আছে…

দশমী

বাদলা দিনে বদ্ধ ঘরে, দশমী আজ করুন সুরে জানান দিচ্ছে বিদায়। উলুধ্বনি, আরতি, বাদ্য আর ঢোল সিধুর খেলা শেষে এসে চোখের জলের শুরু। এবার তোমার যাবার পালা আসছে বছর আবার হবে। সকল আলো মিলিয়ে গেলে ভোরের আলো ফোটে। নতুন আশায় স্বপ্নগুলো আবার বাধে নতুন করে।

দেশ এগিয়ে যাচ্ছে

বহুদিন আগে আমি একটা স্ট্যাটাস দিসিলাম, “বাংলাদেশ একদিন হিন্দুহীন রাষ্ট্রে পরিনত হবে। ভাবেন একটা দেশ একটাই ধর্মের মানুষ। আর কোন ধর্মের মানুষ নাই। কি চমতকার না? দেখবেন সেদিন একটা রেকর্ড হবে গিনেস বুকে “পৃথিবীর একমাত্র একটি ধর্মের দেশ – বাংলাদেশ” – মনে হয় খুব একটা ভুল বলিনি। আমি অবশ্য এর…

রোজনামচাঃ অপেক্ষা

রোজনামচাঃ অপেক্ষা আপনি যখন ওভেনে কিছু গরম বা রান্না করতে দিবেন দেখবেন এক এক মিনিট যেন ৩০ মিনিটের সমান। টাইমারের দিকে তাকিয়ে নিজেকে অসহায় মনে হবে। অপেক্ষা যে সব সময় প্রেমিকার জন্য অপেক্ষার মত মধুর হবে তা কিন্তু না। এই ধরেন বাসা থেকে একটু সকাল সকাল বের হইছেন এই ভেবে…

মোহাম্মদ বাবুল

আসেন একটা গল্প বলি, এক দেশে ছিল এক রাজা, রাজার ৩ ভাই ৪ বোন রাজা ভাইদের মধ্যে ২য়, রাজার বাবা একসময় রাজা ছিলেন, ছিলেন অনেক বড় যোদ্ধা, কিন্তু অনেকদিন ধরেই রাজার বাবা আবার যুদ্ধাহত। তাই রাজার উপর সকল দায়িত্ব, তার বাবা যুদ্ধাহত বলেই তাকে বরন করতে হয়েছে রাজার আসন। এতোটুকু…

পার্বতীপুরের ধর্ষিত ৫ বছরের বাচ্চা

১. ঢাকায় অস্ত্রের মুখে স্বজনদের জিম্মি করে ‘কিশোরীকে ধর্ষণ’। ২. দিনাজপুর পার্বতীপুরের ধর্ষিত ৫ বছরের বাচ্চার অবস্থা আশঙ্খাজনক। ৩. বাগেরহাটের মোল্লারহাটে সোবহান মোল্লা নামের এক লোক সংখ্যালঘু পরিবারের এক বৌকে আটকে রেখে ১৫দিন ধর্ষণ করেছে। তিনটা খবরের শিরোনামে চোখ আঁটকে যায়, মুখে থু থু জমে যায়। কিছুই করার নাই। আমাদের…

আপন দেশে ফিরিঙ্গি

বিশাল সমুদ্দুরে ডিঙি নোউকো কষ্টরা সব তীব্র আর চৌকো। কুল ভাঙে ঢেউ ছোটে দুই ধার ভংগুর আত্না কাপে ডর ভয়ে চোখে মুখে ফোটে। একা একেলা দ্বার টানা দায় ভাঙে দুকূল কেই বা কাকে পায়? আধার রাতে প্রদীপ জ্বলা ডিঙি এসেছি একেলা যেতেও হবে যে জন্ম তাই আজন্ম একাকী যেন আপন…

আমার কি দোষ বলো

আমার কি দোষ বলো? চোখের কোনে সুখের ছোঁয়া। তাকিয়ে থেকে আনমনে, মনের মেঘ সরিয়ে দেয়া। আমার কি দোষ তাতে? পূর্ণিমা যদি চাঁদ সাজে? সাদা মেঘের গল্পরা সব, তোমায় ছুঁতে পাগল পারা। পাখি গুলো সবুজ মেখে, আনন্দে আত্মহারা। আমার কি দোষ হবে? তুমি কেন চোখের তারায়? বারে বারে ক্ষণে ক্ষণে, এ…

মন করেনি ভুল

তুমি রাত্রি জেগে দিনের শুরু ভোরের আলোর আগে। অশান্ত মন, আনমনা আজ দিনের প্রথম ভাগে। মন উতলা কষ্ট গুলো উঁকিঝুঁকি মারে। ভালোবাসি অনেক বেশি বলাই হচ্ছে না তারে। মনের ভেতর যতন করে সাজিয়ে রাখা ফুল। তোমায় আমি ভালোবাসি মন করেনি ভুল।

প্রচন্ড তুমিহীনতায় ভুগছি

রোজ ভোর হয়, আপন মনে দিনও যায় গড়িয়ে। সকাল বেলা চায়ের কাপে সেই প্রিয় ধোঁয়া আজো পাই, প্রিয় সমরেশের বই হাতে নিয়ে। রোজ হয় আকাশের সাথে উদ্দেশ্যহীন গল্প। ঘুম ভেঙ্গে আমি ঠিকই আড়মোড়া ভাঙ্গি, ভেঙ্গে দেই ভোর রাতে ফেলে আসা স্বপ্নের ঘোর প্রিয় গল্পগুলোর রেশ টেনে দিয়ে ঘুম ভর করে।…

কোয়েল পাখি পালন

 হাঁস মুরগি পালনে বাংলাদেশ যথেষ্ট জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। মুরগি পালনের মতো ব্যাপক পরিচিতি না হলেও কোয়েল ও কবুতর পালনে বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, যশোর, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, খুলনা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, বগুড়াসহ দেশের অনেক জেলাতেই কোয়েল ফার্ম বা কোয়েলারি গড়ে উঠেছে। পোল্ট্রি পালনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে অনায়াশেই কোয়েল পালন করছে দেশের মানুষ,এবং…

আয় কাছে

আয় কাছে, গল্প শোনাবো আয়। থাক পাশে, বুকে জড়াবো আজ। আয় মনে, বাসবো ভালো যতনে। ছুঁয়ে যা, স্বপ্ন ভরা এই ভুবনে। আয় না তুই, আরো বেশী কাছে তুই ছাড়া মন সবই যে ভুলে গেছে। কই পালাবি দূরে আমায় ছেড়ে ক্ষণিক সময়ে গেছিস হৃদয়টা নেড়ে। আড় চোখে, তাকালি যখন তুই এ…

ডাক্তার

আমার ভালোবাসা তুমি মটু একটা জান আমার আমারই শুটকু তুমি। আমার সুন্দরী আর, এলোমেলো চুলের ডাক্তার। আমার সকাল তুমি বিকাল থেকে রাত। আমার জীবন তুমি, একাই আমার সত্ত্বা। যেমন হয়েই থাকো তুমি আমার হয়ে যাও। ব্যস্ততা আর দেয়না ছুটি তাতে কি আর থেমে থাকি? তবুওতো একটু খানি দেখা তোমার পাই।

হৃদয়ের চোখে

এভাবে আড়ালে থেকে আদরের কমতি কি হবে বলো? লুকিয়ে রেখেছি বুকের গভীরে শূন্যতার নেই ঠাই, বিষণ্ণ হতে পারি, তাতে করে বর্তমান ভুলে কি থাকা যায়? আমি একবার পথে নেমেছি বারবার হেঁটেছি কণ্টকময় পথে শেষে এসে ভালোবাসা উঁকি মারে, ঠিকঠিক আমার আকাশে। তুমি তারা হলেও হতে পারো হতে পারো রাজহংসী। আমার…

ঘুমটাও স্বার্থপর

এমন যদি হতো আমি পাখির মতো উড়ে গিয়ে পালাই বহুদুরে আর ক্লান্ত ভবঘুরে। তোমার গন্ধ মেখে স্বপ্নে হেঁটে বেড়াই আমি স্বার্থপর তুমি আছো বলে। তোমার ছোঁয়া পেতে আজো জেগে আমি ঘুম আসেনা ঘুমটাও স্বার্থপর।

জমা

তুমি কি আমার স্বপ্ন গুলো জমা রাখতে পারো? বছর শেষে ঠিকই এসে তুলে নিয়ে যাবো। দিন পনের পরে এসে হপ্তা দিয়ে যাবো। জমা শেষে একই সাথে তোমায় কাছে পাবো।

অসীম আকাশের মাঝে

অসীম আকাশের মাঝে ক্ষুদ্র এ প্রাণ দাঁড়কাক সঙ্গী অজানা পথে। ইট কাঠের দেয়ালে ঘুন ধরেছে কবেই খসে গেছে পলেস্তরা। দু চাকার গাড়ি থেমে গেছে সেই কবেই থমকে গেছে জীবন। শীতল বাতাস বইয়ে আগমন তুমি এসেছো, নীরবে হৃদয়ের রঙে রঙ্গিন হলো চিলেকোঠায় গজে উঠা ফুল। গেরুয়া রঙের এক পাখির দেখা এখন…

আমার ছন্দের প্রাণ

তুমি গল্প, কবিতা, গান আমার ছন্দের প্রাণ। বেঁধে যাই অবিরাম ভালোবাসা দিলাম। জেনে রেখো ছিলাম, আছি, থাকবো অবিশ্রাম।

গান গাইতে পারিস

তুই গান গাইতে পারিস আমি যদি তোকে ছুঁয়ে দেই তুই ভালবাসতে পারিস আমি যদি তোকে বুকে বেঁধে নেই।

বিচ্ছিরি একা

একা ভীষণ একা লাগে বিচ্ছিরি একা লাগে অসহায় লাগে। তুমি কাছে নেই বলে, তুমি পাশে নেই বলে। হাত বাড়িয়ে অন্ধ গলিতে খুঁজে ফিরি তোমাকে। তাই একা, বড্ড একা লাগে। তুমি এলে তুমি গেলে আমি শুধু চেয়ে রই এই এসে, এই গেলে তাই বড্ড একা লাগে। সারাক্ষণ জুড়ে থাকে এই বুঝি…

একটু ক্ষণ

ছোট্ট একটু সময় লাগে ছোট্ট একটু ক্ষণ। এক চিলতে ছোঁয়া লাগে ভড়তে তনু মন। পাহাড় চাই না চাইনা সাগর। চাইছি তোমায় শুধু মনটা ভীষণ অস্থির তাই তুমি ছাড়া ধু ধু। অচেনা এই জগত কেমন লাগছে দিবা রাতি সকাল বেলা নিভিয়ে দিচ্ছি রাতে জ্বলা বাতি। তুমি হয়ত চাওনা এমন চাওনা কষ্ট…

বর্ষা দিন বৃষ্টিহীন

বর্ষা দিন বৃষ্টিহীন দু ফোঁটা জল। চোখ ছল ছল অবিরত মন, ক্লান্ত যখন সন্ধ্যা তখন। চাঁদের আলো করছে জ্বলজ্বল। পাখি নীড়ে যাচ্ছে ফিরে, একাকী দলহীন সঙ্গীবিহীন। ডানা ঝাঁপটায় উরধ আকাশে, চলছে সীমাহীন। খুঁজে ফিরে সকাল সাঁঝে, সঙ্গী কোথায়? বুকের ভেতর হাতড়ে বেড়ায়। ছুঁয়ে যাচ্ছে অবিরত। দৃষ্টি কঠিন, শক্ত পণ। খুঁজে…

আমার লেখা গান

শূন্যের উপর ঘর বাধিছে আকাশ কালো হইয়া আছে সকল দুখের কালো জলে হাবুডুবু জীবন আমার। দিনে দিনে বাড়িয়াছে দেনা দেনায় গাত্র দাহ। আমি কালা কেমন করে চৌদ্দ বছর যাবো হেঁটে? সকল আমার, যাই ছিল দেনার দায়ে ঢুইব্বা গেলো। ফতুর হইয়া কপাল লইয়া আকাশে যাই ঘর বাঁধিতে। আকাশ জুড়ে মেঘ করিছে…

আত্মহারা

আকাশ ভরা জ্যোৎস্না তারা আমি আকুল পাগলপারা, আনন্দিত আর বাঁধনহারা। তোমার অক্ষি গোলোকে বাঁধিয়া হৃদয় আত্মহারা। বক্ষে আমার সুখের বারতা দিবা নিশি যাই বহিয়া। অই পথে রবো চিরকাল ধরে তোমার অন্তরে চাহিয়া।

আঙ্গুলগুলো

তোমাকে ছুঁতে চাই আঙ্গুল দিয়ে তোমাকে ছুঁতে চাই আদর দিয়ে ছুঁয়ে দিতে চাই আবেগ আর ভালোবাসা দিয়ে হাতের পাঁচ আঙ্গুলে তোমাকে স্পর্শ করতে চাই। হাত বাড়িয়ে তোমার কপালে, কোমল গাল দুটো ছুঁতে চাই। প্রিয় ঠোঁটের অবাধ্যতায় ছুঁতে চাই তোমার ঠোঁট। অসহ্য আবদারে ছুঁয়ে যেতে চাই তোমাকে ঠিক নিকটে, সন্নিকটে দেহের…

বিষণ্ণ বিকাল

চোখ জুড়ে এক বিষণ্ণ বিকাল তীর ভাঙ্গে ঝড়ে। মনের ভেতর অশান্ত সব ভেঙ্গে চুরে পড়ে। এমন একটা সময় ছিল সব থেকেও একা। ঠিকসময়ে তোমায় পেলাম, ভালোবাসার দেখা। এখন আমি রোজ রাতেই বারান্দাতে আসি। স্বপ্ন বলো সত্যি বলো তোমায় ভালোবাসি। চাঁদের সাথে নিত্যই হয় গল্প বলা আমার জানো তুমি কি হয়…

দুটো শব্দ

তোমার দুটো শব্দ আমার এলোমেলো; হয়ে যাওয়া সময়ের কাছে আজো আমি অস্থির মন নিয়ে প্রতীক্ষায়। তুমি আসবে ঠিক আমার কাছে। ভালোবাসবে আমাকে তোমার মত করে।

বাধন আলগা লাগে

যতই কাছাকাছি আসি তরী কেন জানি দূরে চলে যায়। যতই মন ভিরাই মাঝি কেন জানি দূরে সরে যায়। যতই আকড়ে ধরি কেন জানি বাধন আলগা লাগে। যতই আপন করি বাঁধন কেন জানি ছুটে যায়। যতই চেয়ে থাকি ততই কেন জানি চেনা লাগে না। যতই ছুঁয়ে দেই স্পর্শ কেমন জানি অচেনা…

উত্তাপ ছড়ায় দেহ

কাঠফাটা রদ্দুরে হলদে রং আছড়ে পড়ে তোমার বারান্দায় এ রোদ্দুর নয়, এ জলন্ত আগুন। উনুনে জ্বলে দেয়া লালচে আগুন। যেন টগবগে ফুটছে জ্বলন্ত লাভা। তোমার গ্রীবায় জেগে থাকা ধমনীর রেখা আর কানের কাছে কয়েক গাছি চুল ঠিক চুলের নিচে কাঁধের উপর হালকা পশমের মৃদু রেখা। সোজা গিয়ে মেশে তোমার নিতম্বের…

সঙ্গে করে কিছু প্রেম

একাধারে হেঁটে এসেছি হাজার ক্রোশ সঙ্গে করে কিছু প্রেম। একমুঠো সবুজ, হাত পেতে নিয়েছি তোমার কাছে আমার ঋণ। আমি ভোর বেলা ঘর ছাড়ি সাথে নিয়ে কিছু স্পর্শ। স্পষ্টতা তীব্রতর, দিধাহীন এই প্রাণ তোমার সঙ্গ আছে আমার অবিরাম। তুমি কালো মেঘ, হলেও হতে আমার আকাশ আয়না। আমি রোজ ভোরে তোমায় দেখি…

চাঁদটা

রাত জাগা আকাশের একলা সঙ্গী চাঁদটা বিষন্ন মনে তাই তারাদের সাথে মিতালী সাদা মেঘের ভেলায় চড়ে নীল আকাশে এক ঝাঁক পাখির দলে নাম না জানা পাখিটা।

অবয়ব

প্রতিরাতে হয় তোমার অবয়বে মায়ার আপন ছোঁয়া ছুঁয়ে যায় তোমার চোখের কোনে ঝলমলিয়ে, চোখ ধাঁদিয়ে দেয়া। প্রতিবার তোমার নতুন জন্ম প্রতিরাতে হয় মুগ্ধতা। সকাল হতেই আবেশ ছড়িয়ে চারপাশে হয় শুদ্ধতা। বারবার আমি অবাক হই বারবার হই স্তব্ধ। তোমাকে যখন দেখি মন খুলে চারপাশ হয় নিস্তব্ধ। তোমাকে দেখার যে চোখ আমার…

অদেখারে আপন করেছি

অদেখারে আপন করেছি আপন করেছি পর অজানারে জেনে নিয়েছি কবেই ছেড়েছি ঘর। সম্পূর্ণ গাত্র নিয়ে চলেছি একাই অজানায় তোমারে পাইলে সম্পূর্ণ হইবো রইলাম আশায়। একাই আমি তরী সাজাই, একাই ভাসাই আজ সকল খেলা সাঙ্গ করে ভুলি সকল কাজ গহীন পথ পাড়ি দেবো কঠিন হবে রাত তবুও পাইনে ভয় আমি ছাড়িলাম…

৫টি কবিতা

1. হৃদয় খুলে দেখো কতো ভালোবাসি চোখ বুজে দেখো কতো কাছাকাছি। 2. দৃষ্টি যতই দূরে যাক ছায়া হয়ে রবো তোমার বারান্দায় সুখের মুহুরত গুলো হবো। 3. চেয়ে দেখো দূর আকাশে জ্যোৎস্না নাকি তারা ভালোবাসি ভীষন আমি, পাগল, দিশেহারা। 4. তোমার খোপার ফুল বা তোমার কানের দুল এই জীবনে তোমায় পেলাম…

কথোপকথন

আমি অদেখারে করেছি গোচরে ধারণ অব্যাক্ত হয়েছে কথোপকথন অস্পৃশ্যতা ছুঁয়েছে অস্থিত্য। তাই তোমারে পেয়েছি হৃদয় মাঝে আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে তোমারে একুল, ওকুল, ব্যাকুল মনে গভীরে তোমারে নিয়াছি ভীশন। একাল, সেকাল, আর জন্ম দারুন প্রয়োজন হে নিশ্চিত।

বৃষ্টি তুমি

টিপটিপ ফোঁটায় ঝরছো তুমি ভীষণ ধারায় যাচ্ছো ধুয়ে। ভিজছি আমি শুরু থেকেই ভিজছে আমার হৃদয়পুর। সিক্ত আমি তোমার ছোঁয়ায় আঁখিপটে জলের ফোঁটা। উঠোনজুড়ে জলের খেলা ভেজা আমার আশেপাশ। অথই প্রেম উপচে পড়ে ভরে গেছে মাঠঘাট। তোমার চোখে সন্ধ্যে নামে কাটছে এখন বারমাস। বৃষ্টি আমার ভীষণ প্রিয় তাইতো এতো বৃষ্টিবিলাস। তুমি…

নগ্ন সর্বনাশ

তোমার অধর ছুঁয়ে নামতে পারি নিম্নে আরো। ঠোঁটের কোনে মুচকি হাসি অল্প আমন্ত্রণ ছুঁয়ে দিয়ে আলতো করে নিচের পেলাব ঠোঁট অসহ্য এক সুখ ছুঁয়ে যায় সারা গত্রময় ঠোঁটের উপর ঠোঁট ছুঁয়ে যায় আঙ্গুলগুলো তাই তোমার কোমল হাত ছুঁয়েছে সেই কখনটায়। গালের উপর টোল পড়ে তাই লক্ষ আদর এঁকে বক্ষে তোমার…

হেয়ালী

তোমার চোখে চেয়ে দেখি এই স্বপ্নগুলো কি খেয়ালে তুমি করছো হেয়ালী? জানেনা মন জানেন অন্তর্যামী। দেয়ালে আনমনে আঁকিবুঁকি করছি কোন খেয়ালে সাদা রঙ কালো হয়ে স্পষ্টত গোচরে। তুমি বড্ড বেখেয়ালী চেয়ে দেখো আমাকে দিন থেকে রাত ধরে মনপুরে তুমি যে। আমি আছি হৃদয়পুরে চেয়ে দেখো সুদূরে একমুঠো ফুল নিয়ে চেয়ে…

দখল করে নিয়েছো

তোমার ভাবনা জুড়ে আছে পুরোটা মনে একাকার হয়ে আছে স্পর্শগুলো মিলে মিশে গেছে তোমার চলার ধরণ চোখ মেলি বা বুজে থাকি তুমি শুধুই অনুভবে কল্পলোকে হউকনা কিছুটা সময় হারিয়ে গিয়ে বাস্তবে তোমার উপস্থিতি আজ রন্ধ্রে রন্ধ্রে অস্তিত্তে ধারন করি তোমার ছায়া পথ চলতে গিয়ে থমকে আছি পেছন ফিরে চাইতে গিয়ে…

প্রশ্ন

খুব সকালে কখনো কুয়াশা জড়ানো পায়ে হেঁটেছো? রাত্রি জাগা ভোরের আলো গায়ে মেখেছো? চোখ রগরিয়ে আকাশ পানে একবারও কি চেয়েছো? বারান্দায় দাঁড়িয়ে অদ্ভুত পাখির সাথে কথা কি বলেছো? চায়ের কাপ হাতে নিয়ে বাষ্প দৃষ্টি নিয়ে সুদুরে তাকিয়েছো? হিমেল হাওয়ায় চাদরটাকে জড়িয়ে কি ধরেছ? লেপ্টে থাকা সিদুরটাকে বা হাত দিয়ে মুছতে…

একটা ভেতর জুড়ে

চিত্ত যেথায় উল্লাসিত উচ্চ সেথা প্রেম ধমনীতে বয়ে চলে অনবরত চোরা স্রোত বড্ড অসহায় এ প্রান তোমার তরে তোমার অক্ষি যুগল হৃদয় করেছে হরন চেয়ে থেকে আজ অবধি দিনাতিপাত। একটা ভেতর জুড়ে এই তুমিটার বাস আমি আদি থেকে অন্ত পাগল পরা তোমার দুয়ারে রোজ আমার ভোর হবে।

নীল টিপ

নীল টিপটা জুড়ে দিলাম তোমার কপালে। চোখটা ঠিকঠাক, গাঢ় কালচে, চাহুনীটাও ফুটেছে, বুকের মাঝে তাই ধুকপুকানি হুহু করে বেড়েছে। সিঁথির সিধুরটা বড়ই মধুর আনমনে চেয়ে থাকা ওই অবয়বের মায়ায়। মায়াবী তুমি, হৃদয় হরিণী ভালোবাসি তাই এ চোখ আর মায়া।

অজানা নালিশ

রাতভর জেগে থেকে বালিশে শতশত অজানা নালিশে। চোখের জলে ভিজে যার নীলচে প্রিয় বালিশের কভার। ভোর হয় জেগে থেকে একসাথে নতুন সূর্য উঠে প্রিয় এই প্রভাতে। চেয়ে দেখো আকাশের নীলে নতুন দিনের জেগে উঠার মিছিলে। থাকবো আমি তোমার সাথে ছায়া হয়ে শত দুঃখ কষ্ট, দুই প্রাণ যাবো সয়ে। হেরে যেও…

প্রিয় শব্দ গুলো

প্রিয় শব্দ গুলো আছড়ে পড়ে প্রিয় সমুদ্দুরে প্রতিনিয়িত আবেগ আর টান ছলকে পড়ে এক কাপ ধোঁয়া উঠা চায়ের কাপ এই মাত্র ছলকে পড়া চায়ের ফোঁটা। হাতে সদ্য প্রয়াত হুমায়ুন’র গল্প সমগ্র, টেবিলে রাখা দিন পনের আগের – এক গোছা ধকধকে সাদা রজনীগন্ধা আজ আর শুভ্রতা নেই, ম্যাড়ম্যাড়ে ফ্যাকাসে আর সুগন্ধীর…