আমার ইচ্ছেরা সব বৃষ্টি হয়ে নামলো বলে দেয়ালের গা বেয়ে নিন্মে ধাবমান। শ্যাওলা তার জীবন খুজে নেয় জলধারায় নিমগ্ন পোকারা সব হাবুডুবু প্রান। আমার বারান্দা উপচে পড়ে বৃষ্টিধারায় অবহেলায় পড়ে থাকা টবে আজ প্রাণ এলো বলে। কাল সকাল হবে কিনা জানিনা আমি বদ্ধ ঘরে চার দেয়ালে খুঁজে বেড়াই তার উত্তর।…
Author: britto
নক্ষত্ররাজি
সব থেকে উজ্জ্বল নক্ষত্ররাজি তোমার নামে ধরবো বাজি। লক্ষ, কোটি, হাজার ফুল দেবো খোঁপায় সাজবে চুল।
পুজিব তোমায়
কোন ফুলে পুজিব তোমায় দিশা খুঁজে পাইনে ভালবাসতে দিও মোরে আর কিছুই চাইনে। ফুলের বাগানে গিয়ে ব্যকুল হয়ে রই তুমি কি বেলী নিবে, না গোলাপ, কামিনী, জুঁই? সাদা ফুলের শুভ্রতা আর গোলাপী আভা লালচে রঙের চোখ ধাঁধানো, হলুদ রঙের শোভা। সবগুলোই হাতে তুলে তোমায় দিতে চাই তোমারে পুজিবে সে ফুল…
মা
মা, মা গো, তুমি কত দূরে থাকো, চাইলেই আর কাছে যেতে পারি না, চাইলেই আর হাত পেতে ছুঁতে পারিনা, পাইনা তোমার গায়ের গন্ধ। আমায় ভালোবাসায় বরাবরই তুমি অন্ধ। অনেক বড় হয়েছি যে মা, তোমার কাছে লজ্জা কি মা? তবুও কেমন বড় হয়ে গেছি চোখে চোখ রেখে হয়না বলা তোমায় ভালোবাসি।…
ভালোবাসতে দিও
আলো যতই দাও মোরে, আধার হয়ে রইবে ভালোবাসা না পাইলে, সহস্র কষ্ট সইবে। তুমি যদি থাকো পাশে, আলোয় ভুবন ভরা ভয় নেই সেই আধার কালো, ভয় নেই তাই জরা। ভালোবাসতে দিও মোরে পরাণটা ভরিয়া রাখিব তোমারে আজিবন হৃদয়ে জড়াইয়া। তুমি আজ ফুল দেখনি, মন খারাপ তাই হাজার রঙের ফুল ফুটেছে,…
আমার প্রাণের বাংলা
আমার সোনার বাংলা, আমার প্রাণের থেকেও বেশী জীবন হয়ত দেইনি আমি, তবুও ভালোবাসি। ফলে, ফসলে হরেক ফুলে রঙ্গিন এই দেশটা নদীর জলে, সাগর কুলে, পাহাড় জুড়ে রেশটা। কি নেই বলো তোমার মাগো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে সম্পদ বলো সোনা বলো সবই তোমার আছে। ক্রমিক মানে হয়ে গেছে লক্ষ প্রাণের যুদ্ধ ভাষার…
অজান্তে
অজান্তে আপন মানুষ আপনার হয়ে যায় হিয়ার মাঝে লুকিয়ে থেকে দহন বেলায় শুন্য হতে গিয়েও আজ সিক্ত পূর্ণ হাতে। আপন বেলায় তোমার ছোঁয়া তাতে হৃদয় জুড়ে বিলায় আপনাতে। হৃদ মাঝারে তোমার বাস চন্দ্র তারার সাথে, হিংসুটে তাই অন্য আমি তোমায় ভালোবেসে। ধমনীর রক্ত ধারায় বিন্দু কনা যত হৃদয় উগড়ে, উপচে…
সোনা রোদ
সকালের সোনা সোনা রোদ পথের ধারে, তোমার পায়ে লুটালো। লাল রঙা গোলাপগুলো রোজ ফোটে তুমি আছো বলেই। সকালটা এতো প্রিয় আজ তোমার স্পর্শদোষে। পথের ধুলো যতই তোমাকে মলিন করতে চায় রিদয় তোমাকে ততোই আপন করে নেয়।
অদ্ভুত নগরী
অদ্ভুত এই নগরী বড্ড এলোমেলো রংহীন ইচ্ছেরা বড্ড একেলা। বারান্দায় কাদে নির্ঘুম রাত ধুলোপড়া ফুলের টবে মলীন লাল গোলাপ। একা একেলা মন একাকী জেগে যেদিন চলে গেছে তার অপেক্ষাতে। দেয়ালের ঘড়িতে দম নেই ধুকে মরছে একাকী সময়। চাঁদের আলো সাদাকালো রঙ ছড়ায় ঘর জুড়ে তীব্র ফুলের গন্ধ। তুমি কই? আমার…
অরণ্য
গহীন অরণ্যে যেদিন হারিয়ে যাবো তোমার স্মৃতি আঁকড়ে অজানায় আরো গভীরে চলে যাবো। আমি মেঘ হতে তোমার ছায়া খুজে নিয়ে সবুজে সবুজে ছড়িয়ে দেবো যাতে তুমি পুরোটা সময় জুড়ে আমার খুব কাছাকাছি, হাত বাড়ালেই যেন ছুঁতে পারি। গভীর রাতের নিস্তব্দতা ভেঙ্গে আমি নিশাচর পাখির সঙ্গী হবো গলা উঁচিয়ে তোমাকেই ডাকবো।…
অনুভবে
পরানের কত কাছে তবুও ছুঁইতে পারিনা। দৃষ্টির নিকটে তবুও নয়ন ভরে না। হাত দিয়ে ছুঁতে যাই তবুও স্পর্শ পাইনে। অন্তর ভরিয়াও তবু অতৃপ্ত হয়। এ যেন কাছে পাইয়াও হইল না তারে পাওয়া সময়গুলো কেমন জানি বড্ড অচেনা। সামনে থেকেও প্রাণের মানুষ অনেক আড়ালে। কাছে থেকেই তাই তো এতো অভাব অনুভবে।
ছোট্ট বেলা
সকাল থেকে রাত্রি অব্দি কত কিছুই না মিস করি সকাল বেলার একটু বেশি ঘুম, রাত্রি বেলা একটুখানি জেগে থাকা, ছোট্ট বেলার সাইকেল চালানো, গাছে চড়ে পুকুরে ঝাঁপ দিতাম দুপুর বেলা খাঁ খাঁ রোদে ছুটে বেড়াতাম, মা কে ফাঁকি দিয়ে খেলতে যাওয়া, সন্ধ্যে হতেই ঘরে ফেরা, আলাউদ্দিন, আলিফ লায়লা, ম্যাকগাইভার, হরেক…
স্পর্শ সব ঠোঁটে
আমি গান গাইতাম যদি গায়ক হতাম শত সুরের মূর্ছনায় ছড়িয়ে দিতাম। তোমার রঙ্গে রঙ্গিন হয়ে গান সাজাতাম সারেগামা ৭টি স্বরের তান বাঁধতাম। তোমায় আমি ভুবন জুড়ে এলিয়ে দিতাম গল্প গানে তোমার ছবি এঁকে যেতাম। হাতের আঙ্গুল শক্ত করে ধরে রাখতাম সুখের চোটে স্পর্শ সব ঠোঁটে ছুঁতাম। পায়ের নূপুর আলতো করে…
মধ্যমা
ছুঁয়ে যাও আমার মধ্যমা, হাতের উপর হাত। চোখে চেয়ে বারো মাস প্রেমের উতপাত। অধর ছুঁয়ে যাবো তোমার ইচ্ছে গুলো আমার মুচকি হাসি ভালোবাসি, তাকিয়ে থাকাও তোমার। হারিয়ে যাবো গোপন প্রেমে দুজনায় মিলে অহর্নিশি আশায় আছি হৃদয় ছুঁয়ে দিলে। তোমার প্রেমেই রাত দুপুরে মনের সর্বনাশ তবুও আমার প্রেমিক হৃদয় তোমার আশপাশ।…
মাঝরাতে
মাঝ রাতে ঘুম ভেঙে যায় আমার বারান্দায় নির্ঘুম রাত জোছনা আর তারাদের সাথে একাকী জেগে আছি দখিনের বারান্দায়। তোমার খোঁজে অস্থির এই মন আনমনে খোঁজে আকাশপানে। তোমার দেখা পাবো বলে বাকি রাত্রি ঠায় দাঁড়িয়ে নিশাচরী প্রানীর সংগে।
স্মরনে যদি
স্মরনে যদি আসো আধো রাতে ঘুম ভেঙে শয়ন পাশে তোমার চিনহ একে দেবো আমার মন্দিরে। রোজ ভোরে আখি পল্লবে যেন হতে পারি প্রথম সূর্য । শুভ্রতা আর সোউরভে ভরে দিতে চাই প্রথম সকাল। তোমার ঘুমঘুম চোখে দেখি আমি আলসেমি ভরা ভালোবাসাটুকু। সবটুকু চাই হ্রদয় মাঝে স্পর্শ আর সুগন্ধিও।
খুব করে চাই
খুব করে চাই তোর বুকেতে হাজারটা রাত কাটাই। খুব ভোরে তোর শিয়র পাশে ঘুম ভাঙানি গান গাই। খুব করে চাই গল্পগুলো ঝুলি ভড়ে জমা রেখে যাই। খুব আদরে জড়িয়ে রেখে পাশ বালিশে সংগি বানাই। খুব করে চাই রোজ রাত্রিরে তোর চোখেতেই ঘুম নামাই। খুব শাসনে তোর অবাধ্যতা এক এক করে…
ভোর
প্রতিটি ভোর যদি এমন ভাবেই হতো? পাখির ডাক আর গল্প গানে ভরে যদি যেতো? তোমার কণ্ঠধ্বনি যেন খুব করেই বাজে। তোমার খোপার ফুলটা যেন একই ভাবে সাজে। চোখের দিকে দিব্বি চেয়ে কাটিয়ে দিতাম ভোর। স্পর্শ আর আলিংগনে উষন বাহুডোর। ঠোটের হাসি রাশি রাশি মহাসিন্ধু হয়তো। তুমি ছাড়া জীবন অচল মরণ…
জলরঙ
তুই নীল পরী আমার পুরনিমার চাঁদ, তুই জল ছবি আমার জলরঙ নিখাদ। তোর আশায় হাজার বছর, সাত সমুদ্দুর পার। তুই ছাড়া আর কেউই নাই তুই শুধু আমার। ♥ তোকে আমি অনেক্ষানি।
মঝে মাঝে
মঝে মাঝে মনে হয় হেরে যাচ্ছি তলিয়ে যাচ্ছি অতল গহব্বরে শুন্যে মিলিয়ে যাচ্ছে সব। তোর একটুকরো হাসি যেন শুন্যে মিলিয়ে না যায়, তোর কাছে ঘেঁষার সাহস যেন কেউ না পায়, তোর একবিন্দু ক্ষয় যেন না হয়। তুই শুধু তুই তোর কোন দ্বিতীয় নেই, তুই আর একটাও নেই, তুই একবারই জন্মেছিস…
শতবর্ষী
আমি তোর আশায় দিনে দিনে শত বর্ষী হবো আসমান জমীন এক করে চন্দ্রালোকে যাবো। তোর খোঁজে বারো মাসে তের পার্বণ হবো আষাঢ় মাসে ঝুম বৃষ্টিতে কাক ভেজা ভিজবো। শীতের রাতে একলা আমি মাচার উপর বসে জপবো আমি তোর নাম অতি উৎসাহে তীব্র শীতে কাথা হয়ে জড়িয়ে তোকে ধরে রাখবো আমি…
চাইলেই
চাইলেই অনেক কিছু লিখে ফেলা যায় চাইলে সমুদ্দুর পাড়ি দেয়া যায় তাই বলে কি সস্তা তুমি? ভালোবাসা বেহিসেবি, বড্ড এলোমেলো যখন চাই পেতেই চাই তাই বলে কি সস্তা তুমি? ভাবনারা এলোমেলো দিকভ্রান্ত যতই হই তোমাকেই কাছে পাই তাই বলে কি সস্তা তুমি? স্বপ্নেও ভাবিনা তুমিহীনা এ জীবন কাছে চাই যখন…
ভালোবাসা
ভালোবাসা গল্প, স্বপ্ন, বাস্তবতা কি? জীবন দিয়ে তবেই আমি গল্প লিখেছি। শব্দগুলো সুতোয় গেথে একের পরে এক গেথে। তবেই না হয় গল্পগুলো রঙিন হয়েছে। ইচ্ছে কি আর চাইলে বল গল্প হতে পারে? আপন রঙে যতন করে ছবি হতে পারে? ইচ্ছের কি শক্তি অতো তোমায় ছুঁতে পারে। চাইলেই কি রঙিন ছবি,…
কতটা ভালবাসলে
কতটা ভালবাসলে বলো তোমার খোঁজ পাবো? কতটা ইচ্ছে জুড়ে দিলে আমি তোমার দেখা পাবো? কতটা পথ হাঁটলে বলো সেই পথে হেঁটে যাবো? কতটা একা হলে বলে আমি তোমার হবো? কতটা কাছে এলে আমি তোমার অন্তর ছুঁয়ে যাবো? কতটা একাগ্রতায় বলো ওই মন্দির গড়া যাবে? কতটাই ভালবাসলে বলো তোমাকে পাবো?
ভিজে যায় নুপুর
বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটায় ঝড়ে পরে তোমার স্মৃতি বিষন্ন হতে গিয়েও হইনা, এই ভেবে। জলের ধারায় তো তুমি মিশে আছো। তোমার পায়ে লুটিয়ে পড়ে জল, ভিজে যায় নুপুর। আমি অপলক চেয়ে থাকি, হিংসে হয়, হ্যা আমার হিংসে হয় বৃষ্টিকে, এতোটা স্পর্শ আমার পাওনা। আমি ভালোবাসি তোমায়, তাই স্পর্শ আমার।।
তফাৎ শুধু রঙের
বারান্দায় দাঁড়িয়ে একমুঠো স্বপ্ন হাত বাড়িয়ে ছুঁতে চাই অজানা আর অনিশ্চয়তায় খুঁজে ফিরি সম্মুখে বিশাল আকাশ, বিস্তীর্ণ ভূমি নীল আকাশে সাদা মেঘের আনাগোনা ছোপ ছোপ রক্ত যেন ছড়িয়ে ছিটিয়ে তফাৎ শুধু রঙের। যতদূর চোখে যায় চোখ ধাঁধানো নীল রং। আমি হাত বাড়িয়ে থাকি এই বুঝি তুমি এলে অলক্ষ্যে হাত ছুঁয়ে…
তুই বৃষ্টি হলেও পারতিস
তুই বৃষ্টি হলেও পারতিস আমি জল ছুঁই ছুঁই, চোখের কোনে কান্না লুকিয়ে গল্প গুলো গড়তিস। ছুঁতে গিয়েও আড়ষ্টতায় নিজকে লুকিয়ে রাখতাম, আপন মনে বাগান গড়ে পাখ পাখালি পুষতাম। সব থেকে লাল গোলাপটাকে আলগোছে তুলে রাখতাম, তোর সামনে হৃদয়ের সাথে গোলাপটাও ধরতাম। ইচ্ছেমত আকাশজুড়ে রঙিন ঘুড়ি ছাড়তাম, ভোকাট্টা ঘুড়িগুলো জমিয়ে আমি…
বৃদ্ধা আঙ্গুলী
আকাশের ভীষন মন খারাপ, আঁধার চারিধারে। একটু দূরে তুমি আবছা হয়ে আছো, আলো আধারির খেলা। আমি মন খুলে দিলাম, স্পষ্টত তোমায় দেখতে পেলাম। আমি বৃদ্ধা আঙ্গুলী দেখালাম আলো কে, বললাম দেখ তোর কি আমার মত প্রেয়সী আছে? যে চাইলেই আলোকিত হবে তোর ভুবন।
সোনা সোনা রোদ
সকালের সোনা সোনা রোদ তুমি পথের ধারে খুঁজে পাবে। ঐ দূরে যাবার বেলায় তুমি বারে বারে তারে পায়ে মাড়াবে। আদরে আবদালে তোমার পায়ে আলিঙ্গন এঁকে যাবে সে। আলতো ছোঁয়ায় তুমি শিহরিত হবে। সাদা শুভ্র মেঘেরা তার সঙ্গী হয়ে তোমাতে লুটিয়ে পরবে। শুভ্র ফুলের গুচ্ছ তোমার খোঁপায় গোঁজা টুপটাপ ঝড়ে পড়া…
তোর বসবাস
আমার একটা ভুবন জুড়ে তোর বসবাস প্রাণের মাঝে সকাল সাঁঝে করছে হাঁসফাঁস। কবে পাবো তোর দেখা কবে যাবো কাছে আর পারিনা সত্যিই আমি পরাণ নাহি বাঁচে।
অচীনপুরে
মনের সব কালো দুরে ঠেলে চলে যেতে চাই সেই অচীনপুরে যেথায় গেলে শুন্যতার ছুটি, একাকিত্তের কষ্টগুলো একা হবে। মুহূর্তগুলো আবার সাদা কালো থেকে রঙ্গিন। যেথায় সুন্দর করে বিরাজন, চারিধারে জড়িয়ে রাখা ভালোবাসা, প্রেয়সীর স্পর্শ আর গন্ধ, হাতে হাতে রেখে পদ্য বানানো। দূর দৃষ্টি সীমাহীন, স্বপ্নরা যেথায় সত্যি, আমি চলে যেতে…
নীল টিপ
নীল টিপটা জুড়ে দিলাম তোমার কপালে। চোখটা ঠিকঠাক, গাঢ় কালচে, চাহুনীটাও ফুটেছে, বুকের মাঝে তাই ধুকপুকানি হুহু করে বেড়েছে। সিঁথির সিধুরটা বড়ই মধুর আনমনে চেয়ে থাকা ওই অবয়বের মায়ায়। মায়াবী তুমি, হৃদয় হরিণী ভালোবাসি তাই এ চোখ আর মায়া।
সুপ্রভাত
সুপ্রভাত পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর অপ্সরী। সকালের আলোয় দেখেছিলাম তোমার চোখ হারিয়ে গেছি মায়ার দেশে ভুলে গেছি আপন পর। মুগ্ধতা যতই হোক তুমি আজও নবীন, প্রতিক্ষণে তোমার নতুনত্ব। তোমার চোখের মায়ায় আমি সহস্র ক্রোশ হেঁটে যাবো আজন্ম। সবশেষে- আমি তোমার কৃষ্ণ আর তুমি আমার রাধা।
গল্প হলেও সত্যি হত
গল্প হলেও সত্যি হত তোমার আমার কথা। আলিঙ্গনে মুগ্ধ হত তোমার আমার সুখ। চোখের কোনে ভালোবাসা দুহাতে আড়াল করা, ঠোঁট বাঁকানো দুষ্টুমিতে পাগলপারা এই প্রাণ। রাতের কালোর সন্নিকটে দিনের আলোর বেঁচে থাকা। ভোরের হাওয়া গায়ে লেগে তোমার স্পর্শ স্মরণ করা। কি কঠিন এ মায়া, তোমায় ছাড়া জীবন ভাবা। পাগল হলেও…
ভুল করে
ভুল করে তোর চুলের ফাঁকে আঙ্গুল চালিয়েছি। তোর চোখের নেশায় অবিচল পাগল হয়েছি। তোর চাহুনিতে বিশ্ব আমার রঙ্গিন হয়েছে। সকাল থেকে সন্ধ্যে অব্দি কত কি যে গল্প হতো। স্বপ্ন দেখা দুজন মিলে জেগে থেকে, ঘুমের ঘোরে। হাতের উপর হাত রেখে অনেক দূরে হেঁটে যাওয়া। আলিঙ্গনে বুকের ভেতর শক্ত করে জড়িয়ে…
আমি আর যদি কবিতা না লিখি
আমি আর যদি কবিতা না লিখি কি হবে? তুমি আর এখন একা আমার কবিতা পড় না। অনেকের পড়, পছন্দ কর একা আমার কবিতা একলা রয়ে যায়। শব্দরা কষ্ট পায়। তোমার যা ছিল তোমারই আছে। মাঝ খানে আমার সাজানো কথারা একেলা থেকে আরো একেলা হয়ে যায়। তাই আমি যদি আর না…
রাজার রানী
হৃদয়ের মাঝে সিংহাসনে রেখেছি তারে যতন করে। আপন রাজ্যের রানী করে একাকি রাজার রাজ্যগিরি। একলা রাজ্যে প্রজাহীন তূমি আমি দুজন মিলে সাজাবো সকল কুট কউশল। সদর দরজায় তোমার নামে হাজার বিশেক হরেক ফুল। পাখির সুরে সকাল বেলা ভাংবে আমার রানীর ঘুম।
অসহায় আর একলা
আমার হালকা কথায় গল্পগুলো বদলে যেতে পারে, আমার কান্না গুলো অসহায় আর একলা হতে পারে। কান্না যখন একটা মনের শেষটুকু সম্বল চোখের জলের ঠাই হলো তাই গড়িয়ে পড়ার পথে। এসব কিছু নিঃস্ব একের গল্প ছাড়া কিছু নয় আকড়ে ধরে বাঁচতে চাওয়া পাগল হলেও হতে হয়। নিঃস্ব লোকের কিইবা আছে কেড়ে…
সময়
সময় বদলিয়ে গেলেও ভালোবাসা কি বদলে যায়? দুই মনে যে গভির প্রেম তা কি মুহূর্তে বিলীন হয়? এ কি নদীর জোয়ার ভাটা? যে আসলো আর গেলো? যে চোখে চোখ রেখে বলেছিলে ভালোবাসি সে চোখ মিথ্যে নয়। যে মনে ছুয়ে দিয়েছো প্রেম দিয়ে সে মনে ফাঁকি নেই। যে হাত একবার ধরেছো,…
ছুঁয়ে দিয়ে মন
ছুঁয়ে দিয়ে মন হারিয়েছি সেই খন চোখের নেশায়, অস্থির এই মন আনমনা, পাগলাটে, খেপাটে বালক। বস করার প্রাণান্ত চেষ্টা, বালিকার প্রতি। সুন্দরী বালিকা, খিল খিল হাসি। চোখের মায়া, সুখের আধার। এ যেন অচেনা মায়া, খুঁজে পেতে তাই বালকতা।
ক্যালেন্ডার
তুই থাকলে সারাবেলা, এবেলা বা ওবেলা, দিনক্ষণের হিসেব মেলে না। হৃদয় জুড়ে তোর বিচরণ। ক্যালেন্ডার আর ঘড়ির কাটায়, দেয়াল জুড়ে ছড়িয়ে থাকিস। তোর অবয়বে হ্রদয় গোলমেলে। অন্ধ সময়ের তালে, তাল মিলিয়ে ছুটি তোর খোঁজে। যাসনে মিছে মিছি এ অন্তর ছেড়ে, চিলেকোঠায় বড্ড যতনে সাজিয়েছি তোর খেয়ালী ফুলগুলো দিয়ে। আকাশের রঙ…
চাঁদের বাড়ি
তোর সঙ্গে ভাবনাগুলো ভাগাভাগি কালো রঙকে আড়ি স্বপ্ন দেখি একই সাথে একই চাঁদের বাড়ি।
গল্পগুলো
গল্পগুলো ছোট্ট করে লিখতে যতই চাই, লেখার খাতা কলমগুলো শেষ হতেই যায়। তবুও কি আর ইচ্ছে করে অল্প লেখা যায়? গল্প যদি হতো হয়তো কমিয়ে বলা যেত, হৃদয়পুরে নিয়ম কানুন কিসের এতো বলো? তবুও না হয় মানা যেত তুমি না থাকলে। তোমার বেলায় পৃথিবীটা অন্য প্রান্তে থাকে, তুমি থাকো এদিক…
আমৃত্যু ভালোবাসা
আমার যা ছিলো তোর হয়ে গেছে রক্ত মাংসের মানুষ মাত্র ভালোবাসা দিতে পারি যা দেবার আছে। হয়ত এইটুকুই পারি আমি। আমার হৃদয় জুড়ে যেটুকু সবটাই শুধু তুই। এর বেশী কিছু নয় আমৃত্যু ভালোবাসা, হাত ধরে চলে যাবো বহু দূরে।
বেহিসেবি খাতা
জীবনের বেহিসেবি খাতায় বেখেয়ালে করছি কত আঁকিবুঁকি অজান্তে লিখে ফেলেছি তোমার নাম এখন দৃশ্যমান ভালোবাসা আমৃত্যু এ বন্ধন।
অভিমান
এতো অভিমান করো না, রাগ বা বিরাগ, আমি আছি যেমন আছি তেমনই থাকবো, তোমায় ভালোবাসা শূন্যের কোঠায় যাবেনা। তুমি আমার বলতে পারো আমি তোমারই, কি যে সুখ এই কথোপকথনে। আমার অভিমানী নীল পরী ভালোবাসি, তাই নীলচে রঙ। তোমার খেয়ালী রঙে রাঙ্গিয়েছি বাগান আর স্বপ্নের নীল আকাশ।
রাত পেরিয়ে
তোমায় একটা সকাল দেবো বলে রাত জেগেছি। আপন রংমেশানো চাঁদের আলো ফেলে গেছে হাজার ছায়া কাল রাতে। তারারা চেয়েছে উঁকিঝুঁকি মেরে তোমার দেখা পেতে, বেহায়া হয়ে রাতের পাখি ডানা ঝাপ্টায় ভবঘুরে হয়ে তোমার দেখা পেতে। সকালের লাল আলো তাই লোভী রাত পেরিয়ে তুমি আসবে বলে।
জ্যোৎস্না
তুই জ্যোৎস্না হয়ে আকাশ জুড়ে সঙ্গী লক্ষ তারা। সন্ধি আঁটিস বন্ধ ঘরে আনন্দে আত্মহারা।
ঘুম ঘুম চোখে
ঘুম ঘুম চোখে রাত্রি বিদেয় নেয় সকাল থেকে তোমায় আমি ভালোবাসি সারারাত্রি ভালোবাসার প্রহর শেষে ভোর বেলাতে একটুখানি ছুটি।

















