তুই ভোর হয়েছিস উঠোন জুড়ে কলমি লতার পাতায়, দিনের আলো ফুটেছে আজ গল্প কাব্যের পাতায়। লেখার খাতার পাতায় পাতায় ছন্দগুলো যেমন জীবন জুড়ে ছড়িয়ে আছিস তুইও ঠিক তেমন।
Author: britto
ঘুম আকাশে ডুব দিয়ে
ঘুম আকাশে ডুব দিয়ে আজ স্বপ্ন তুলে নেবো একশ একটা নীল পদ্ম তোমায় আমি দেবো। সাত সমুদ্দুর ঐ পাড়েতে নীল পরীটা থাকে পরী কি আর তোমার মত? ভালোবাসি যাকে? নীল রঙের হাজার ফুলে তোমায় সাজিয়ে হাজার পাখির কলতানে বাদ্যি বাজিয়ে। সবুজ রঙের গাছের পাতায় শাড়ি জড়িয়ে তোমায় আমি ভালোবাসবো আদরে…
চোখ
যে চোখে খুন হতে বাঁধা নেই, সে চোখ তোমার, যে চোখে আজীবন গল্প সাজানো যায়, সে চোখ তোমার, যে চোখে আজীবন পৃথিবী দেখা যায়, সে চোখ তোমার, সন্ধ্যা তারা আর চাঁদের আলোর আনাগোনা এই চোখের মায়ায়, কাল রাতে দেখে আসা শেষ স্বপ্নটাও তোমার চোখে শেষ হয়েছে। আজ সকাল হলো চোখের…
ইচ্ছেগুলো
ইচ্ছেগুলো পাশ কাটিয়ে খামখেয়ালী মন ভাবনা চিন্তা এলোমেলো চেষ্টা অনুক্ষণ। সন্ধ্যে তারার ঘুম ভেংগেছে রাত্রি অনেক বাকি চাঁদের আলো মেলে দিলো জ্বলজ্বলে দু আঁখি। সবুজ ঘাসের মাদুর পাতা শিশিরে সব ভেজা ঘাসের মাঝে দু হাত দিয়ে তোমার স্পর্শ খোঁজা। দূর আকাশে পাখি গুলো উড়ছে এলোমেলো জোনাক পোকা উঠোন জুড়ে জ্বালিয়ে…
আবছা আলো
পাড়ে দাঁড়িয়ে হাত বাড়িয়ে আছি কবে ভিড়বে তরী আমার? অজানায় হাত বাড়িয়ে আছি। কুয়াশায় আবছা আলো, চোখের গোচোরে আকাশ মেঘলা আকাশ, বেখেয়ালী মন অদ্ভুত এক নিরবতা। গেরুয়া রঙের চাদর জড়িয়ে আসলে তোমাকে আঁকড়ে আছি। এই মুহূর্তে তুমি এক মাত্র সাহস। কেমন জানি অতলে হারিয়ে যাচ্ছি হাত বাড়িয়ে ছুঁতে চেয়েও পারছিনা।…
পাশ বালিশে আলতো আদর
তোরে ডাকছি কি খেয়ালে? বেখেয়ালী মন সেই কবেই হয়েছে আনমনা, জানতে কি পেরেছিস? তোরে ডাকবো কি নামে? তাই বলে কত নাম ধরে ডেকেছি, বুঝতে কি পেরেছিস? তোরে সাজিয়েছি আকাশে বানিয়েছি সন্ধের উজ্জল তারা, দেখতে কি পেয়েছিস? কত নামে ডাকছি রোজ মন থেকে হয়না আর কোন শব্দ, শুনতে কি পেয়েছিস? তোর…
বেনামী কবির রোজকার কবিতা
ভুলতে চাইলেই কি তারে ভোলা যায়? এ তো সহজ কথা নয়। চোখের গোচরে যে ছিল বারো মাস, একটু একটু করে জাগিয়ে তোলা প্রেম, রবীন্দ্রনাথ আর বেনামী কবির রোজকার কবিতা, চিনে বাদামের খোসায় বেখেয়ালি ইচ্ছেরা, রাস্তার পাশের রঙিন ফুল দেখে চোখ ছলছল করে উঠা, ইচ্ছেমতির আজগুবি খেয়ালগুলো রোজ পাল্টানো, আনমনে প্যান্টের…
যুবক যুবতীর প্রেম
তোমার যুবতী ঠোঁটের নেশায় উম্মত্ত যৌবন, গন্ধে পৃথিবীর জাগতিক সুগন্ধি। জীবনে যৌবনের খেলা বড্ড উন্মাতাল, নেশা নেশা, দিকভ্রান্ত যুবক। দেয়ালে আছড়ে পড়ে হাজারটা ইচ্ছে; ছুঁয়ে দেখার প্রবল ইচ্ছে, কাছে আশার ইচ্ছে, এক আকাশের বুকে সঁপে দেবার ইচ্ছে, মধ্যরাতে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে স্বপ্ন দেখার ইচ্ছে। স্পর্শের মাঝে নতুন সকাল আছে। নতুন…
সারাবেলা তুমিময়
তুমি আমি মিলে মিশে একাকার, দিন থেকে রাত ভারি হাহাকার। চোখের আড়াল যে তুমি, তাইতো হাহাকার বুকটা মরুভুমি। কই তুমি খুঁজে যাই সারাবেলা, তুমি ছাড়া আমি যে বড়ই একেলা। এবেলা ওবেলা সারাবেলা তুমিময়, তোমাকে হারিয়ে ফেলার ভয় হয়। ভীতু আমি, প্রেমিক আমি তোমার তাইতো মনের গহীনে ভয়টা আমার। বড়ই স্বার্থপর…
পাগল পাগল ভালবাসি
তোরে আমি পাগল পাগল ভালবাসি তোরে আমি মধ্যরাতে ভালবাসি তোরে আমি বুকে জড়িয়ে ভালবাসি তোরে আমি রাত ভোর ভালবাসি কুয়াশায় পা ভিজিয়ে ভালোবাসি সাধা মেঘের ভেলায় ভেসে ভালোবাসি ঝরনার জলে ভিজে ভালোবাসি ব্রিষ্টিতে গা ভিজিয়ে ভালোবাসি আর শেষমেষ অস্থির আকাশ জুড় ভালোবাসি।
অপেক্ষা
কিছু অপেক্ষায় প্রেম আছে গন্ধ আছে, লুকিয়ে লুকিয়ে সুখ। চোখ বুজে স্মৃতি হাতড়ে অজানা উন্মুখ। পায়ের ছন্দে উত্তাল মন এই বুঝি তুমি এলে। নুপুরের শব্দ শুধু বাজে প্রানে, এই বুঝি তুমি এলে। কিছু প্রেমের অপেক্ষায় সুখ আছে, চোখ বুজে তোমায় খোঁজা। ভালোলাগা উতালা হতে এই বুঝি তুমি এলে।
হিমালয়সম প্রেম
বিষণ্ণতায় কাটে সারা বেলা তোমার মনের খোঁজে। আসমান জমিন ফারাক তোমার থাকা আর না থাকায়। অস্থির মন আকাশের দেয়ালে ভবঘুরে প্রতিনিয়ত। তুমি আসবে বলে এ আয়োজন তারারা জ্বলে রয় আকাশের বুকে, জোনাকীর আলোয় তীব্র প্রেমের ছোঁয়া। চাঁদের আলো তুচ্ছ লাগে, তোমার হাঁসি হার মানায় দিন থেকে রাত্রি অব্দি সকল আয়োজন।…
বাকিটা বেঠিক
রাত্রি কিংবা দিন চিন্তা তুমিহীন, স্বপ্নেও ভাবিনা জীবন তুমিহীনা। স্বপ্ন বা জাগরণে চিন্তার আহরণে, তুমিময় হয়ে আছি আজো রয়ে। রাতের চাঁদের আলো মনের যত কালো, সূর্য উঠবে বেশ দিনেরও হবে শেষ। তুমি শুধু ঠিক বাকিটা বেঠিক, ভালোবাসি আমি যানেন অন্তর্যামী।
তারারা গল্পে মাতে
দে হাত বাড়িয়ে, হৃদয় খুলে দেই। দে মন খুলে, কান্না শুষে নেই। দে চোখ মেলে, স্বপ্ন দেখাই। দে হৃদয় খুলে, ভালোবাসা দেই। তোর গায়ের গন্ধ, মাতাল হৃদয় অন্ধ। চমকে উঠে আঁকড়ে ধরি কান্নাগুলো দূরে ঠেলে। আশটেপ্রিষ্টে ধারন করে হারিয়ে যাচ্ছি কান্না ফেলে। তোর চোখে রোজ রাতে, তারারা গল্পে মাতে। নে…
গুচ্ছ প্রেম
তুই অন্তরে আসিয়া হৃদয় দুয়ারে হাক ছাড়িয়া কহিস, সখা ওগো প্রানের সখা, কোথা হইতে আসিয়াছি যাইব মোরা কোথা? সঙিনি মোরে করিয়া লইও হৃদয় মন্দিরে। তুই আর আমি স্বপ্নটা ছুঁই ছুঁই হাতটা ধরে বারান্দায় রোজ রাতে বাঁচবোই। তুমি ছাড়া রাত্রি বা দিন জীবন হয়ে যাবে ঠিকানাবিহীন।।
গহীন প্রেম
দিন কেটে যায় তোমার খোঁজে রাত্রি বাড়ি যায়, মিষ্টি রোদের মিষ্টি আলোয় চাঁদের কান্না পায়। তুমি আমার নক্ষত্র আর শুভ্র চাঁদের আলো। কুয়াশায় পা ভিজিয়ে বাসবো আমি ভালো। একটুকুও টান কমেনা বাড়ছে সকাল সাঁজ, মনের মাঝে গহীন প্রেমের তীব্র একটা ঝাঁজ। দিন, দিন, মাস হতে সারা বছর ঘুরে সুখের নেশা…
তোর প্রশ্রয়
সকালের শুরু থেকে রাতের নিস্তব্দতা অহর্নিশ ভাবায় শুধু ভাবনারা তোর নেশায় চরম পাগল দিশেহারা মন। দেয়ালে দেয়ালে ঘুরে ফিরে তোর প্রশ্রয় মনের গহীনে দ্বন্দ্বহীন, তোর উপস্থিতি। তোর স্পর্শরা খুব বেশি সতেজ, কন্ঠের শব্দ, আর চলন দিন শেষ মায়ায় ভরা দুটি চোখ, অপলক তাকিয়ে থাকা, হাঁসির ফোয়ারা মুহূর্তে ব্যবধান শূন্য করে…
ওলট পালট ভাবনাগুলো
এভাবেই দিন যদি যায় চলে যাক না নিয়মের খাতা খুলে দূরে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে শাসন, বারন অবিরাম অবাধ্যতা মনের দেয়ালে ইচ্ছে মত আঁকিবুঁকি খুনসুটি আর আনমনা মেঘ বড় বেশি এলোমেলো। জীবনের নিয়মে আর চাকা নাইবা ঘুরলো নিজের পৃথিবী নিজের হাতে যদি গড়তে পারি, ক্ষতি কি আছে কোন নিয়মের বেড়াজালে? সকালের…
রাত
রাত ভোর হলে আমি তোমাকে চাই। সন্ধ্যের পাখি নীড়ে ফিরে তোমাকে চায়। রাত্রিতে মাচায় বসে চাঁদের আলো তোমাকে চায়। দিনের শুরুটাতে হৃদয় এ পদ্ম নিয়ে তোমাকে চাই। দিনের শেষভাগে সন্ধি হয় দুজনে তাইতো তোমাকে চাই।
তোমাকে চাইতে গিয়ে
তোমাকে চাইতে গিয়ে বারে বারে নতুন করে নিজেকে চেনা হৃদয়ের সাথে প্রতিনিয়ত কথোপকথন, বারংবার নিজেকে জিজ্ঞেস করা, নিজের সক্ষমতা যাচাই সুবিধা একটাই, খুব বেশি কষ্ট পেতে হয় না। একটা নতুন জগত হয়েছে, সেখানে আপন মহিমায় তুমি বহমান। স্বর্গীয় স্রোতধারা তোমাকে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে হৃদয়ের আনাচে কানাচে। নিজের ভেতরে একটা নতুন পৃথিবী…
চাঁদের আলো পানসে লাগে
আরো ভালো আমি বাসতে চাই তোকে মনের গভীরে নিয়ে ভাসতে চাই তুই ছাড়া একলা আকাশ গল্প সাজাই এই জীবনে। রংধনুটা আজ সাদা মাটা তুই ছাড়া এই ভুবনে। আরো কাছে তোকে রাখতে চাই খুব গোপনে তোর সঙ্গ চাই। তুই ছাড়া আজ চাঁদের আলো একেবারেই পানসে লাগে তুই ছাড়া আজ রাতের আকাশ…
ছুঁয়ে যা
ছুঁয়ে যা তুই মনের দেয়াল খুলে দিয়ে দ্বার খানিক থেকেই ফিরে আসিস সন্ধেবেলা আবার। তোর দুচোখে আকাশ দেখে চাঁদ নামাবো বেশ রাতের আলো থাকবে তখন ভোর বেলাতে শেষ। মাঝ পুকুরে নউকো জুরে তুই আর আমি মিলে জোনাক পোকা সংগী হবে নাও ভাসিয়ে দিলে।
লজ্জা
শাড়ির ফাঁকে মুখ লুকিয়ে লজ্জা লজ্জা নিয়ে প্রেম চোখে তাকিয়ে থেকে হরন করে দিয়ে মনটা আমার বাধা আছে শাড়ির আঁচলে মায়া ভরা মুখখানিতে আদরগুলো মিলে।
হুতুম পেঁচার ডিম
হুতুম পেঁচা ডিম পেড়েছে তা দিয়েছে কাক, ডিম ফুটে তাই বাচ্চা হলো দিচ্ছে পেঁচার ডাক। কাকের বেজায় দুঃখ হলো বাচ্চা কালো নয়, তবে কি ভাই জাত গেলো আজ? করছে ভীষন ভয়। সকাল বিকাল তা দিয়েছি কান্না পাচ্ছে ভারী। হুতুমটাকে ডেকে এনে দিয়েই দিবো আড়ি। যেই না ভাবা অমনি করে ডাক পাঠালো…
শুন্য হয়ে যায় শুন্যতায়
খুব করে জড়িয়ে ধরে কাছে টেনে নিয়ে বুকের কাছে জমা কষ্ট এক নিমিষে শুন্য হয়ে যায় শুন্যতায়, নীল আকাশ জুড়ে রাশি রাশি কালো মেঘ। স্পর্শ ব্যাথা ভুলিয়ে দেয়। অভিমানিনী শুন্য হাতে ফিরিয়ে দিও না এসেছি জড়াতে বুকের খুব কাছে। স্পন্দন টের পেতে চাই রোজ রাতে। আপন হৃদয় আঙিনায় স্বপ্নময় রংধনু…
স্মরি তোমায় অহর্নিশি
সংকটে আর সংকোচে স্মরি তোমায় অহর্নিশি, হৃদয়ের কুন্ঠারাশি বিষবাঁশি বাজাইছে। দূর হতে অন্ধ মেঘ ঐ আশে ধেয়ে ধীর লয়ে নিকট হতে সন্নিকটে সময়ের ভেলায় ভেসে যতই আসুক দুঃখরাশি তুমি যদি থাকো পাশে হৃদয় আমার পাষাণ ভারি ভয়ের বিন্দু লেশটুকু নেই অস্তিত্ত আর জীবদ্দশায় উপস্থিতি অবিসম্ভাবি, চাইছি দিবানিশি তোমার সঙ্গ; সাহসটুকু সঞ্চয়ে পার…
সংকোচে জানাই
সংকোচে জানাই আজ একবার মুগ্ধ হতে চাই তাকিয়েছি দূর থেকে এতোদিন প্রকাশ্যে বলিনি। এতোদিন সাহস ছিল না কোন ঝরনা জলে লুন্ঠিত হবার আজ দেখি অবগাহনের কাল পেরিয়ে চলেছি দিনে দিনে। – অজয় গোস্বামী
দেয়ালে জমে থাকা প্রেম
মুহূর্তগুলো কেটে যায় এক নিমিষে, ভাবনারা অতলে হারিয়ে যেতে চায়, স্বপ্নরা দিক্বিদিক ছুটোছুটি প্রাণ, চোখের নিমিষে মুহূর্ত বিদেয় হয়। সময়ের পেছনে দে ছুট পাল্লা দিয়েও হয় না। স্মৃতিরা অতি দ্রুত জন্ম নেয়। চোখের কোনে জমে থাকা জল, এদিক ওদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা স্পর্শগুলো, দেয়ালে জমে থাকা ছোপ ছোপ ভালোবাসা, চোখের পাশ দিয়ে…
তুই দিন দিয়ে যা
তুই দিন দিয়ে যা রাত টুকুও থাকবে কেন বাকী? জেনে রাখিস ভালোবাসায় একটুও নেই ফাঁকি। সকাল হলেই দিনের শুরু সন্ধ্যে থেকে রাত ভাবনা গুলো এলোমেলো সাঁঝ থেকে প্রভাত। জীবন নামের পাগলা ঘোড়া ছুটছে দিবানিশী ছোঁটার মাঝেই তোকে নিয়ে ভাবছি অহর্নিশি। সন্ধ্যে তারার গল্পগুলো রাত জেগে শুনছি চাঁদের আলোয় স্পষ্ট তোরে…
নিস্তব্ধতা
নিস্তব্ধতা বড্ড কষ্ট দেয় প্রতিনিয়ত আসলে বেশি দিতে নেই। সময় খুব স্বার্থপর, তাকে যতই দেয়া হবে পেছন ফিরেও চাইবে না। অদ্ভুত এ সময়, আমি চাই বার বার ফিরে যেতে প্রিয় ক্ষণে তোমার স্পর্শ পেতে। কে শোনে কার কথা? বড্ড স্বার্থপর, কিছুতেই ছুঁতে দেয় না। ব্যাকুলতা ঠিক আগের মতই বরং বাড়ছে রোজ রাতে…
মনকে শুধাই আমি বারে বারে
মনকে শুধাই আমি বারে বারে সে কি শুন্যতা সইতে পারে? উত্তরে শুধায় আমারে শান্ত রহো হে পথিকবর সম্মুখে ঘনিছে আঁধার রাত আশু ভোরে দিনের আলোয় দূর হয়ে যাবে নিকষ কালো। শুন্যতা হয় রোজই হবে পূর্ণতা কি প্রতিদান পাবে? মনের উপর জোর করে কি বিশাল আকাশ পূর্ণ হবে? নীলচে রঙের নানান আঁচর…
পথে পথে চলতে চলতে
পথে পথে চলতে চলতে হঠাত তোমায় খুঁজে পেলাম সঙ্গী করে দূরের পথে তোমায় নিয়ে হেঁটে এলাম। তুমি আমার দিনের শুরু, রাত্রিতে যার শেষ সকাল হলেই আবার আমি খুঁজতে থাকি বেশ। স্পর্শ গুলো জড়িয়ে ধরে হাঁটছি আজও আমি চোখের নেশায় কাটিয়ে দেবো জানেন অন্তর্যামী। হৃদয় জুড়ে তোমার ছোঁয়া কাটছে সময় বেশ অনন্তকাল ভালোবাসার রয়ে…
পরাজিত তেজ
দিন রাত এক করে ভাবছি তোমায়, শীতের রাত্রি হতে কুয়াশা ভেজা সকাল, হিম হিম ঠান্ডায় হাড় কাপানো অনুভুতি. রোদের পরাজিত তেজ ছড়িয়ে গাছের ফাঁকে তীরের ফলার মত সূর্যের আলোর খেলা দিনভর। আমি ভাবছি তোমায় তবুও. তোমার স্পর্শ হৃদয়ে কাঁপন ধরায়, মায়ায় জড়িয়ে ফেলে আলগা বাঁধন, জড়িয়ে ধরে বাচতে চায় এ হৃদয়….
কচুরিপানা জীবন
জলের তলায় তোমার বসত কচুরিপানা জীবন শ্যাওলা হয়ে ভাসব আমি অদ্য হতে মরণ। শাপলাগুলো লালচে সাদা নীলচে এথায় হেথায় কলমীলতা, জলের পোকা খেলছে আজি যেথায়। পাড় বাঁধানো ছোট্ট পুকুর সবুজ রঙের জল চাঁদের আলো ঝরে পড়ে করছে জ্বলজ্বল। তোমার আমার দেখা হলো শানবাঁধানো ঘাটে নৌকার গুলুই জল ছুঁয়েছে ছলকে উঠে…
ব্যাকুল এই মন
আর তো পারিনা থাকতে ও আমার জান পাখি। হৃদয় এ রক্তক্ষরণ রোজ তোমাকে কাছে পেতে। ব্যাকুল এই মন, অনুক্ষণ তোমার খোঁজে আচ্ছাদিত সুখের অনুভবে। কি মধুর অপেক্ষায় রত আজীবন। ধরনীর মাঝে অসীম এ ভালোবাসা তোমার তরে হৃদয় ভাসিয়ে নেয়। কতটা ভালোবাসলে বল কাছে পাবো, ছোঁয়ার অনুভুতি সমেত। এ হৃদয় শুন্য…
শূন্যতা
সবই আছে তবুও বুকের মাঝে শূন্যতা কি যেন না থাকার কষ্ট। তোমার চোখে রোজ দেখি তবুও হারিয়ে ফেলার কষ্ট। রোজ তোমায় ভালোবাসি আবার মুহূর্তেই তোমাকে অনুভব করি। তোমার হাঁসি নিত্য দেখি তবুও সেই হাঁসি খুঁজি। কেমন জানি টান পাই হৃদয়ের খুব গভীরে। কিছু হারিয়ে ফেলার ভয়, কিছু না পাওয়ার শূন্যতা।…
কঠিন জীবন
জীবনটা আসলে অনেক কঠিন। আশে পাশের মানুষ, সিস্টেম, ব্যবহার, মন এবং শারীরিক এ কয়টা বিষয় বেশ ওতপ্রোতভাবে জড়িত জীবনে কেমন আছি তার উপর। জীবনে অনেক ধরনের সময় আসে। একই রকমের অনুভিতি হাজারবার হয়। কখনো মনে হয় এইতো বেশ আছি। আবার মনে হয়, না জীবনে কিছুই হলো না। তখন মনে হয়…
ঘুন পোকাদের ঘুম
আমার আলমারির ছোট্ট তাকে রোদের আলো মুচকি হাসে। ঘুন পোকাদের ঘুম ভেঙেছে গিরগিটি তাই ফন্দি আটে। কাঠের ফাঁকে মস্ত ফুটো রোজ বিকেলের বাগান বিলাস। চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে ঘুম ভাঙানি গান গাইছে। ইচ্ছেরা সব এলোমেলো দেয়াল ঘড়ি ভাঙছে মিছে। আশেপাশে তোমার স্মৃতি রংধনু রঙ আকাশ জুড়ে। ঘাস ফড়িঙের কষ্ট গুলো…
হিংসুটে
আমি স্বপ্ন দেখি তুই মনটা ছুই ছুই। তোর চোখের ভাষা গভীর ভালোবাসা। নিত্য দিন তুই হীন। বড্ড বেশী হিংসুটে তোকে ছাড়া মারকুটে। আমি চাইছি তোকে আসছে বৈশাখে। তোর লালচে গালের ছোঁয়া মনের মাঝেই হারিয়ে যাওয়া। বড্ড বেশী বেহায়া চোখে বেশি মায়া। ভালোবাসি মুচকি হাঁসি। ভালো লাগা গভীর রাত জাগা। চোখের…
৩০ বছর
চিলে কোঠায় দাঁড়িয়ে ঐ দূরে শূন্য দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকা যায় না। বারে বারে মনের কোনে তোমার স্মৃতি হানা দেয়। আমি চেয়েছি অনেকটা সময় ধরে না ভেবে থাকতে, আমি দিয়েছি আমার সক্ষমতার পরীক্ষা, পারিনি বারে বারে হেরে গেছি তোমার দেয়া; মুহূর্তগুলোর কাছে, তোমার স্মৃতি, স্পর্শ খুব বেশি অনুভুতি জাগায়। কি যে এক…
তুই আমার সেই তুই
তুই আমার সেই তুই যাকে খুঁজেছি মনের গভীরে যাকে খুঁজেছি মনে মনে একা একা যার কন্ঠ শুনেছি স্বপ্নে যার স্পর্শ পেয়েছি স্বর্গে তুই আমার সেই তুই। মধ্য রাতের চাঁদ, হাসনাহেনার গন্ধ, ঘন কুয়াশা, গুলুইয়ে বসে চায়ের কাপে চুমুক দেয়া কিছুই হয়নি আমার তুই আমার সেই তুই তোকে ছুঁয়ে দেখিনি আধার…
কুণ্ঠাহীন স্পর্ধা
এই কেমন অদ্ভুত না ভালোবাসাটা? কেমন বেহায়া, নির্লজ্জ প্রেম, চোখের অবাধ্যতা, আড় চোখের চাহুনি, কুণ্ঠাহীন স্পর্ধা ছুয়ে দেখার, আলসেমি মরুভূমি আদুরে হাহাকার, হৃদয় বড্ড বেয়ারা, ছুতে চায় ওই মন। সারাখণ কাছাকাছি অস্থির আজীবন, মায়াবী রাতের অপেক্ষায় নির্লজ্জতা। চোরামনে আলগোছে কাছে পেতে মরিয়া, এ হলো প্রেম, অবাধ্যতা, আর নির্লজ্জতা, হয়ত প্রেম…
ও ভাবে
ও ভাবে ডেকো না হরণ হয়ে যাবো ও ভাবে চেয়ে থেকো না হারিয়ে যাবো অজানায় ওই কন্ঠের শব্দ আর বাকি নেই অনেকটা শুনে বুঝে হৃদয় ছড়িয়ে দিয়েছে। ঐ চোখ মনের খুব কাছে বন্ধু হয়ে হাতছানি দেয় তোমার স্পর্শ মাতাল অনুভবে স্বর্গ চেনায়। অস্তিত্তের মাঝে শেষ আশ্বাসটুকু খুঁজে পাই তোমার গল্পে।…
রয়ে গেছে অনেক কিছু বাকি
তোমার সাথে চাঁদ দেখবো দেখবো চাঁদের আলো। বিশাল আকাশ দেখবো নীলচে সাদা রঙের খেলা। রয়ে গেছে অনেক কিছু বাকি। খোলা মাঠে পা ভিজিয়ে ঘাশের উপর নগ্ন পায়ে হাঁটা। এক চাঁদরে মুড়িয়ে দুটি প্রাণ তীব্র শীতে পাশাপাশি। ঝুম বরষায় খোলা মাঠে ভিজবো দুজন শ্রাবণ ধারায়। এখনো রয়ে গেছে অনেক কিছু বাকি।…
ছোট প্রেম
তুমি সম্মুখে এসে দাড়ালে হৃদয় প্রেম আসে আড়ালে। অজানায় মনাটা হারালে অবশেষে হাতটা বাড়ালে।
সময়
এখন আর সময় কাটে না, সময়ও খুঁজে পাইনা, হিসেব কষে সময় কাটাবার। বড্ড বেশী মিশে গেছি, বড্ড বেশী আবেগী, বেঁধে নিয়েছি প্রাণ। এখন আর সত্যিই সময় পাই না কাটাবার মত। ইচ্ছে আর ভাবনা গুলোর খুব বন্ধুত্ব হয়েছে। ওরা আর তোমাকে ছাড়া ভাবতেই চায় না। ওদের নাকি সময় নেই সময় বুঝে…
ভো-কাট্টা ঘুড়িটা
বিকেলের শেষ বাসে তোমার আসার কথা ছিল। আজ অবধি বসে আছি। জানালার ফাঁক গলে লালচে রঙের শাড়ির আঁচল বাতাসে প্রতিবাদী। শিশিরের ফোঁটা ছলকে এসে তোমার নাকের ডগায়। বেহিসেবি সময়ের ফেরে ভো-কাট্টা ঘুড়িটা। আলগোছে অবাধ্য চুল চোখের সাথে সন্ধি আঁটে। ছোট্ট কালো টিপ কপালের মাঝে বৃত্ত আঁকে। তোমার আসার কথা ছিল…
আহ্লাদি রানী
নির্ঘুম রাত জাগা পাখি, চেষ্টায় বুজবে না আখি। ভালোবাসা ভালোবাসি, হৃদয়ের কাছাকাছি। তোমার কানের দুল, দীঘল কালো চুল। চাঁদের কণার টিপ, অবিরাম জলজল দীপ। অদ্ভুত মিষ্টি হাঁসি, রাশি রাশি অষ্টহাসি। চোখের চাহুনি, আহ্লাদি রানী।
ইচ্ছে মত রংতুলির খেলা
তোমার চোখে কি মায়া আছে বলতে পারো? এতো গভীর মনোযোগে প্রহরব্যাপী দুচোখ অক্লান্ত, বালিঘরিটা টিকটিক করে নিম্নে ধাবমান কম্পমান দেয়াল ঘড়ি, সময়ের হিসেবে বড্ড কাঁচা আমি আমি পৃথিবী ভুলে যাই, সময়ের কাঁটা, দিনক্ষণ, সকাল থেকে রাত বয়ে চলে অবিরাম খোঁজ খোঁজ রব উঠে প্রকৃতির নিয়মে আমি বিরামহীন, দুচোখ অক্লান্ত, দেখে যায় ঐ মায়াময়…
তুই চেয়েছিস
তুই ঘুম চেয়েছিস তাইতো আমি স্বপ্ন কিনে দেবো। তুই নীলচে রঙের শাড়ি চাইলে আকাশ এনে দেবো। তুই খুব সকালের শহর চাইলে কুয়াশা জড়াবো। ভালোবাসবি আমায় বলে হৃদয় দিয়ে দেবো। ধোয়া তোলা চায়ের সাথে হাজার কয়েক ফুল। জোনাক পোকার আলো চাইবি সাথে কানের দুল। সুখের আবেশ ছড়িয়ে দিলে সঙ্গোপনে থাকা। তোর…














