জলের ছোঁয়া আমার হিংসেমি

চল সপ্তডিংগায় ভাসি, চল নায়ের বাদাম তুলে দিয়ে আসমানে তাকাই, গুলুইয়ে বসে তুমি জলে পা ডোবাও, নগ্ন পায়ে জলের ছোঁয়া আমার হিংসেমি। নুপুর পরা লোমশ পায়ে ইচ্ছেরা বেয়াড়া। শাড়ির পাঁড় উরধ্মুখি আমার লোভে পড়ে। ইচ্ছে হলে ছুঁতে পারি আলসেমি বড্ড। আমার আছ আমারই তো তাড়াহুড়োর কি? কাঁধের সাথে কাঁধ মিলেছে…

একটা নিস্তব্দ রাতের অন্ধকারে

একটা নিস্তব্দ রাতের অন্ধকারে আমি এক মাঝিহীন নৌকোতে বসে একা। ভাবছি তোমার কথা। কতটা পথ গেলে বল জীবনকে পাড়ি দেয়া যাবে? আমি চাই প্রতিটা পদক্ষেপ মেপে নিতে, আমি পুরোটা উপভোগ করতে চাই। আমি আসলে জীবনের মানে খুঁজছি। আমি আসলে কে, কি চাই বা কোথা থেকে এসেছি তাই বোঝার চেষ্টা করছি।…

আকাশ ছুঁয়ে

পাহাড়ি ঝর্নার মত অবিরত বয়ে চলেছ আমার জীবনের নৌকার গুলুই স্পর্শ করে। তুমি বয়ে যাও বলেই এতো অঝোর ধারায় কাঁদতে পারি, দাড় বেয়ে যাবো বলে কঠিন মনকে বশ মানাতে পারি। আমি বাঁধন ছাড়া নদীর কিনারা ঘেশে যাবো বলে বায়না ধরিনি। যদি যেতেই হয় কেনো মাঝ দরিয়ার পাগলা স্রোতের সাথে সন্ধি…

আমার বৃষ্টির স্বপ্ন

আজ বহুদিন বাদে বৃষ্টি হচ্ছে। যেমনটা আমি চেয়েছিলাম সেই কবে। খুব ইচ্ছে আমার তোমাকে নিয়ে বৃষ্টিবিলাস করার। চারপাশে সবুজ গাছে ঘেরা একটা শান্ত সবুজ জলের পুকুর। মনে আছে আমি তুমি প্রায় যে স্বপ্নটা দেখতে পেতাম? ঠিক তেমন একটা সবুজ জলের পুকুর। টলটলে জল। গাছের পাতারা ভেলা বানিয়ে ভাসছে জলে। নিস্তব্দ সুনশান…

বন্ধু

চিন্তা করে দেখলাম জানি দোস্ত বলতে যা বোঝায় তা কি আমার আছে? সেই বন্ধু যে আমার জন্যে জীবন না হোউক অন্তত জীবন দিয়ে দিবো এই কমিটমেন্ট করতে পারে। অথই সমুদ্দুরে পড়ে গেলে উদ্ধারকারী জাহাজ নিয়ে ছুটে আসবে। অনেক ব্যাথায় যখন বুক ভেংগে যাবে অন্তত বুকে হাতটা রেখে বলবে দোস্ত তোর…

তোমাকে আর বলতে চাই না

আমার মাঝে আমি নাই হয়ে যাওয়ার একটা ব্যাপার আছে। এইটা বুঝতাম না কিন্তু তোমার দেখা পাবার পর এমন অনেককিছুই শিখেছি যা আগে কখন ভাবিও নি। তোমাকে দেখে এখন কি হয় তোমাকে আর বলতে চাই না। আমার মাঝে আমি হারিয়ে থাকি তাই ভালো। অন্তত আমার ভেতরের একটা মানুষ আমাকে বুঝবে আমি…

স্বপ্নের সবগুলো রঙ

স্বপ্নের সবগুলো রঙ সেই কবে ফিকে হয়ে গেছে। আমি আর সাহস করিনা তোমায় খুজে পাবার। আমার স্বপ্নরা সব তাই আজ রঙহীন। কোন ধারাবাহিকতা নেই আছে অস্থিরতা আর নির্ঘুম রাত জাগা। এই তুমি আর সেই তুমি এক নও। কখনই না। তোমার এঁকে যাওয়া স্বপ্নগুলো এখন অনেক বেশি সতেজ। চোখও বুজতে হয়…

মোমের আলো

মোমের আলো খুব সুন্দর লাগে, আগুনটায় কেমন জানি মৃদু একটা ভাব। এই আগুনটা দেখলেই আমার হাত দিয়ে ধরে দেখতে ইচ্ছে হয়। ইচ্ছে হয় দু আঙ্গুলে নিভিয়ে ফেলতে, হাতের তালুতে আগুন নিয়ে আমার ক্ষমতা দেখাতে ইচ্ছে হয়। আর এই মোমটার ঠিক নিচেই কিন্তু অন্ধকার। কিছুই আর দেখা যায় না। ভেবেছিলাম কাল…

বৃষ্টিকে আমার হিংসে

বৃষ্টি হবে জানতাম, আমার মনের উঠোন ভিজবে নীরবে। গাছের পাতায় জলের স্পর্শ তোমার পায়ের নুপুর, ঝমঝম করে বেজে চলে। বৃষ্টির ফোঁটা তোমার অধর ছুয়ে যায়। আমি অপলক তাকিয়ে তোমায় দেখি। কি এক মায়া ভরা আলোয় তুমি আজ আলোকিত, বৃষ্টির জলে আজ তুমি স্নিগ্ধ। আমার ভালোলাগা তোমায় নিয়ে, তোমার অধর ছুয়ে…

সকাল শুরু হউক তোমার স্পর্শে

“চাইলেই তোমাকে কাছে পাবো না, এ কেমন পাগলামি ভালোবাসা কি তবে শাসন মানে?” তোমাকে মাঝে মাঝে এমন করে ভালোবাসতে ইচ্ছে হয়। ইচ্ছে হয় সকাল শুরু হউক তোমার স্পর্শে। ইচ্ছে হয় তুমিময় একটা একটা করে দিন কাটিয়ে দিতে। তোমার চোখের ভেতর গভীর একটা কিছু আছে, যার আসলে নাম দিতে পারিনি তা…

মাতাল হলেও পারিনা

গত কিছুদিনে জীবনে অনেক কিছু দেখলাম, জীবনকে চিনলাম একটু অন্যরকম করে। আমি না খুব বোকা। আমি ভাবতাম কি মানুষের জীবন হলো সোজা একটা রাস্তা চলেই যাবে চলেই যাবে। হাহাহা তা কি হয়? আঁকাবাঁকা রাস্তায় হেঁটে অনেক কিছুর স্পর্শ পাচ্ছি। আমার ভেতরে ভালো কিছু জিনিস শুরু হয়েছে নতুন করে। ভালো কিনা…

বৃষ্টি হলে আমি তোমাকেই ভাবি

অঝর ধারায় বৃষ্টি হচ্ছে, তুমি জানো বৃষ্টি আমি খুব পছন্দ করি। আরো জানো বৃষ্টি হলে আমি তোমাকেই ভাবি। আমার সব ভাবনাগুলো এই বৃষ্টির জলে ধুয়ে পরিশুদ্ধ হয়ে তোমার নামে ঝড়ে পড়ে। বৃষ্টি হচ্ছে হতেই থাকবে হয়ত, কিন্তু তুমি আমি কি আর এক হয়ে ভিজতে পারবো? আমাদের কি মনের বারান্দায় বৃষ্টির ছটা এসে ভিজিয়ে দিবে?…

ভালো লাগছে না

কিছুই আর ভালো লাগছে না। অনেকটা পথ পেড়িয়ে এসে কিছু না পেয়ে ফিরে যেতে পারছিনা। মানুষতো আমি, হয়তো কারো কাছে কুকুর বা বিড়াল বা তার চেয়েও নগন্য। কিন্তু বৃক্ষেরও প্রান আছে ব্যাথা পায়, কষ্ট হয় কেউ যখন তার ছাল চামড়া ছাড়িয়ে নেয়, পেরেক ঠুকে কষ্ট দেয়। আর আমি? এর কিছুই…

তোমার স্পর্শ থাকুক না সারাক্ষণ জুড়ে

দিন দিন অনেক দূরে চলে যাচ্ছে সমুদ্রের সীমা রেখা। বিস্তীর্ণ জলরাশি, গাঙচিল, অনেকগুলো পাখি, সাদা একটা আকাশ, ডিঙ্গি নৌকাগুলো মাঝি মাল্লাহীন হয়ে অনন্তযাত্রা অনন্তকালের দিকে। সব আজ ফিকে হয়ে যাচ্ছে। রঙহীন হয়ে জলের সাথে মিশে গেছে জলেরই রঙে। আকাশের আজ রঙ ছড়াবার রঙ নেই। গাঙচিল অজানায় উড়ে যায়। তার কন্ঠরুদ্ধ…

চাইলেই কি লেখা যায়?

চাইলেই কি লেখা যায়? চাইলেই কি হাঁসি আসে? বা আমার মনের সব কিছু বাইরে বেরিয়ে আসে? জল চেনোতো? জল কিন্তু মানুষের কষ্টের বহিঃপ্রকাশ। কান্না চেনো? আমি কাঁদতে পারি। তুমি পারো না। আকাশে যেদিন খুব কালো মেঘ হয় সেদিন তুমি আর আকাশে তাকাও না। তোমার ভাবনা কিসে? আকাশের কালো মেঘ ঝরে…

সে আমার আমি

আমি এখন হারিয়ে যাই তোমার রঙে। কেন এমন হয়নি আগে? কতযুগের প্রতীক্ষা শেষে তুমি আসলে। আমি কি? জানিনা। কিন্তু খুব করে জানি তুমি আজ ঠিক অন্যরকম সময়ে এলে। বইয়ের পাতায় অনেক লেখায় কখনো কখনো খুঁজে পেতাম; একটা মন একটা মনের মত হয়। মাঝে মাঝে হাসতাম এও কি করে সম্ভব? একটা মনের…

চির যৌবনা হরিণী

আমার মনের উঠোনে দেখা হয়েছিল এক চির যৌবনা হরিণীর সাথে কোন এক চন্দ্র রাতে জোস্নারা ঝরে পড়ে তোমার পায়ে শান্তি খুঁজে নেয়। কে তুমি? সে তুমি।

পরীক্ষা

আমার মনে পরে আজ থেকে ১৫ বছর আগে আমি এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিলাম, আমার চেয়ে আমার মায়ের টেনশন ছিল তখন অনেক বেশী। কলম ৪-৫টা, স্কেল, জ্যামিতি বক্স, বোর্ড, পেন্সিল কয়েকটা, শার্পনার কত কি যে প্রস্তুতি। মা আমার জন্য স্পেশাল করে পুজো দিত। বাবা আবার আমার কলম গুলো কাগজে লিখে লিখে গতি…

জুড়িয়ে নিতে চাই প্রান

আমার খুব মনে পড়ে ছোট বেলায় গ্রামে থাকার সুবাদে বাংলাদেশে যে ৬টি ঋতু আছে তা স্পষ্টতই বোঝা যেত। আর এখন ঠিক বোকা হয়ে যাই আসলে বাংলাদেশে কয়টা ঋতু? অবশ্য এই মুহূর্তে ৬ ঋতুর গুষ্টি কিলাই বৃষ্টিই চাই আগে বাকি সব ঋতু পরে হবে। প্রথম বৃষ্টিতে বাসার ছাদে গিয়ে ভিজে আসতে…

বন্ধুত্ব

আজ বন্ধুত্বের মানে নতুন করে আবার জানলাম, গত ১৪টা বছর বুঝিনি আমরা যে এতোটা কাছের বন্ধু ছিলাম, চোখের পলকে ১৪টা বছর পার হয়ে গেলো, হাজারটা স্মৃতি চোখ বুজে বলে দিতে পারবো, কি করিনি আমরা? এইতো কদিন আগে হয়ে যাওয়া আরেক বন্ধু Azim Optimum ‘র বিয়েতে খুব মজা করলাম বুঝিওনি যে কয়দিন পর…