ল্যাম্প পোষ্ট

আসো ছুঁয়ে দেই তোমার দুঃখগুলো, কাল ছিলো আমার যা আজ তোমার।। হাতে হাতে, চার হাতে মুছে ফেলি গাল বেয়ে নামা নোনা কষ্টগুলো। তুমি আমি কেউ নই কষ্টের ফেরিওয়ালা। ধুলো জমে জমে ছেড়া ফাটা ময়লা জামা আবেগী প্রেমে পায় নতুন জীবন। অন্ধ গলিতে একা হাটা দুটি প্রাণ, চৌরাস্তায় জ্বলে প্রিয় সেই…

যেমন ছিলো নব্বই দশকের শৈশব

আমরা থাকতাম মফস্বলে, সাধারনত যা হয়, যে এলাকায় থাকা হয় সে এলাকার প্রায় সবাই একে অন্যজনের পরিচিত থাকে। এলাকার রিক্সা চালক রহিম মিয়া থেকে শুরু করে ঢাকায় চাকুরী করা শিমুল ভাইয়ের নামও এলাকার সবার মুখস্থ থাকে। খুব আন্তরিক সম্পর্ক সকলের সাথে। আমাদেরকে শাসন করার অধিকার ছিলো আমাদের এলাকার বড় ভাইদের,…

হাতি রাজা

থমকে গিয়ে চমকে তাকায় হেলে দুলে মাথা ঝাঁকায়। ভীষণ রকম আঁকার প্রকার চাল চলনে মজার ব্যাপার। প্রকান্ড তার আয়তন চলতে ফিরতে সচেতন। ইয়া বড় দাঁতের মালিক রোদ পরলেই দেয় ঝিলিক। মায়ায় ডুবে দুই নয়ন বিস্ময়ে তার চাঁদ বদন। কুলার মতন দুইটি কান হাঁটতে বসতে কেবলি খান। আস্ত কলা গাছ দিয়ে…

ফাতেমা, ভালোবাসবে?

ফাতেমা এক উচ্ছল তরুনী সবে মাত্র কৈশোর পেরিয়ে এসেছে। এখনো তার চোখে মুখের কৈশরের উচ্ছলতা মুছে যায়নি। মেঘনা পাড়ে বাড়ি তার, বাড়ি বলাও ভুল হবে আসলে ছোট্ট খুপরি ঘর। বাবা ইলিশ ধরার জেলে। সংসারে মা, বাবা, এক ভাই আর সে। ফাতেমা সংসারে বড়। রাশেদ ফাতেমার ছোট ভাই। সে একটা এনজিও…

বনের রাজা

কাক, কোকিলে গান গেয়েছে শিয়াল গেছে বনে। টুনটুনিয়ে টুনটুনালো সিংহ আপন মনে, হালুম হালুম দিচ্ছে ডাক বনের রাজা বলে। বোন মোরগের কুক্কুরুকু কুমির ভাসে জলে।। বানর বেটা বড্ড চালাক শিয়াল মামার দলে। ইচ্ছে মত বাঁদরামি আর চতুরতায় চলে।। হরিন ছানা তা ধিন তানা নাচে সারা বেলা গাছে গাছে ময়না, টিয়া,…

কুত্তা কেন্নে জ্বালা খায়

চিন্তা করো মফিজ কুত্তা কেন্নে জালা খায়? মফিজ মিয়া বেয়ান অইলে হনুফাগো বায়িত যায়।। চিন্তা করি বেক্কে মিলি টোগাই টাগাই চাইতো অইবো, কিল্লাই হেতে বেয়ান বিয়াল হনুফা গো বায়িত যাইবো?? শীতের ভিত্তে মফিজ্জা হিডা খাইতো গেছে হেমুই। চিল্লাই বিল্লাই করে কাইজ্জা সাইয়্যা হিডা খাইবার লাই।। রসের সিন্নি রাইনছে বলে হাইঞ্জুনা…

তুই ছুঁলি যখন

তুই ছুঁলি যখন, ইচ্ছেরা পাগল তখন। চেনা আলসেমি ঠেলে ঢলে পড়ে তোর গলে। শীতল চায়ের কাপ, ইচ্ছে পোকার ধুপধাপ। কান্না জমায় কথায় কথায় হৃদয়ের জানালায়। স্বপ্ন খুঁজে অবিরাম, পাশে ঠেলে অভিমান। আবার সেই ভোর হবে প্রশ্ন গুলো সেই কবে, মিলিয়ে নিয়েছে উত্তর, এলোমেলো অন্তর। মিলেছে তোর ছোঁয়ায়, কুয়াশা ছেড়ে গেছে…

গল্পরা শূন্যে হারায়

চুপচুপ ঘুমঘুম এই রাত, আমি তুমি একা একা- সাথে ঐ বাঁকা চাঁদ।। নির্ঘুম এই রাত জোনাকির আলোয়, আলোকিত মাঝরাত।। তুমি আমি জানালায়, দু কাপ চা হাতে গল্পরা শূন্যে হারায়।। তোমার গালের তিলে ঠোঁটের অবাধ্যতায় আকাশের নীলে।। মিলবো ভরসা দিলে নীলচে ঐ আকাশে তুমি আমি মিলে।।

তন্ময়

চোখের মায়ায় সকাল বিকাল পড়ছি আমি ছলছলে চোখ অপূর্ব । হাত বাড়িয়ে ছুঁতে গিয়ে বিষম খাই অদ্ভুত এক মায়া জড়ানো অবয়ব। আমি তন্ময় হয়ে দেখে যাই।। তোমার গালের তিলটা যেন ভীষণ সুখের ল্যাম্প পোষ্ট। ইচ্ছে হলেই জলে উঠে যখন তখন। ঠোঁট জুড়ে মায়া জড়ানো অনেক বেশি আবেগ, আকর্ষন পোকার মত…

জীবন

জীবনটা আসলে অনেক কঠিন। আশে পাশের মানুষ, সিস্টেম, ব্যবহার, মন এবং শারীরিক এ কয়টা বিষয় বেশ ওতপ্রোতভাবে জড়িত, জীবনে কেমন আছি বা আছেন তার উপর। জীবনে অনেক ধরনের সময় আসে। একই রকমের অনুভুতি হাজারবার হয়। কখনো মনে হয় এইতো বেশ আছি। আবার মনে হয়, না জীবনে কিছুই হলো না। তখন…

কলাবাদুরের ঢং

কাক ডাকে কা কা ডগি ডাকে ভাউ শেয়াল ডাকে হুক্কা হুয়া গরু কে কয় কাউ।। বেড়াল ডাকে মিউমিউ ঘোড়ার লম্বা ঠ্যাঙ ময়ুর নাচে পেখম তুলে ব্যাঙ এর ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ।। হাঁস বলে কোয়াক কোয়াক কোকিল কুহু কুহু হরেক রকম পশু পাখি দেখতে চল জু।। হাতি ঘোরা জেব্রা জিরাফ সিংহ মামা মিলে…

বাইসাইকেল

তুমি আমি টুং টাং বাইসাইকেল চেপে, ঘাস পাতা মাড়িয়ে, সীমানা ছাড়িয়ে, প্রজাপতির পাখায় চড়ে স্বপ্নে ভাসা। পেছনে পড়ে রয় অজানা অতীত আর ধুলো জমা গল্পের বইরা।। – ২৪-১২-২০১৭

সোনা রোদ

সকালের সোনা সোনা রোদ, পথের ধুলায় এসে লুটিয়ে পড়ে। হঠাত বৃষ্টি এসে ধুয়ে মুছে সব, আকাশের সাথে সন্ধি করে, তোমার আংগিনায়, নৌকো বাঁধা, সময় করে এসে দেখে যেও, কি মায়ায়, কি আবেগে চেয়ে আছে মন। – ১৩-১২-২০১৭

গল্পগুলো দেশের প্রাণ

গল্পগুলো আর কিছু নয় একটি দেশের প্রাণ রক্ত, জীবন, সম্ভ্রম আর আত্মাহুতির দাম। লাল সবুজে জড়িয়ে আছে মুক্তির হাহাকার বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযোদ্ধা, মানচিত্রে; বাংলার আকার। বিজয়ের পথে এ কোণ গান গাহিছে বাঙ্গালী যুদ্ধ জয়ের নেশায় আজি উন্মুখ হয়ে রয়। বিজয় আসেনি আজো যা চেয়েছি সেদিনে সময় আসবে আবার যুদ্ধ জয়ের মিছিলে।…

পুষ্পদাম

এ কোন চোখে চেয়েছিলে তুমি চার পাশে জলের স্পর্শ চাঁদের আলো আর অদ্ভুত চাহুনী ফুল ফুটে পুষ্পদাম হলো মরুভুমি।।। – 25-12-2017

কুয়াশা

কুয়াশায় ডূবে আছি অহর্নিশি ডুবে যেতে চাই সারা নিশি। সকালের সোনা রোদে পা ডুবিয়ে শিশিরে হেটে যাই পথে এগিয়ে। ভেজা পায়ে এ এক স্বর্গীয় সুখ আমি খুঁজে ফিরি সেই প্রিয় মুখ। আধো পথে তোমার চিহ্ন পাই, গা এলিয়ে সমুখে এগিয়ে যাই। – 19-12-2017

অন্ধ গলিতে

মেঘের ঐ নীলে চলো হারিয়ে যাই? এক হয়ে অন্ধ গলিতে হারাই আপন মনে। এই জীবন বড্ড বন্ধী, বড় বেশি মেকি সাঁজ। কত অসহায় ভেবে দেখো তুমি আমি যে যেখানে। – তসৌ ২৫-১২-২০১৭

মুচকি হাসি

চাঁদের আলো ছুঁইতে গেলে মুচকি হেসে কয়, বামন হইয়া চাঁদের পানে কেমনে হাত বাড়াও??

নৌকো

সকালের সোনা সোনা রোদ, পথের ধুলায় এসে লুটিয়ে পড়ে। হঠাত বৃষ্টি এসে ধুয়ে মুছে সব, আকাশের সাথে সন্ধি করে, তোমার আংগিনায়, নৌকো বাঁধা, সময় করে এসে দেখে যেও, কি মায়ায়, কি আবেগে চেয়ে আছে মন।

আজন্ম

আমি খুঁজতে চাই বারে বারে তুমি, চাদের আলো আর তোমারে ভালোবাসিবারে আজন্ম তাই যেন হৃদয় এ তোমারেই পাই।

প্রিয় ডায়রি

মাঝে মাঝে জেগে থাকা রাত গুলো, ভীষণ ঝড় তোলে হৃদয়ের কিনারে। পাওয়া না পাওয়ার হিসেব মেলায় অন্ধকার ঘরে প্রিয় ডায়রির সাথে। শেষ কবে ছুঁয়েছিল আবেগ? কবেই বা ছুঁয়েছিল মন, অনুসন্ধানী মন। জোস্নার আলোয় জোনাকীর সন্ধি তুমি আমি মিলবো খুব ভরসা পেলে। আমি নিয়ন আলোয় স্বপ্ন গড়ি, ভরসা খুঁজি।

সুপারম্যান

২০১৩ আমি থাকতাম ৫ তলায়। আমি যখন প্রথম ফ্রিজ কিনি তো ফ্রি হোম ডেলিভারি ছিল। দোকানের ভ্যানে করে এক লোক একাই নিয়ে এলো ফ্রিজ। আমি তো একটু বিরক্ত আবার আমাকে আরেক জন লোক নিতে হবে এই ফ্রিজ ৫ তলায় তুলতে। ওকে বলতেই সে আমাকে বললো ভাই থামেন আমারে ৫ মিনিট…

মা

সন্তান নিখোঁজ আজ ৩ বছর। প্রতি মুহূর্ত কাটে মায়ের এক মিশ্র অনুভূতিতে। থানা, পুলিশ কত কি না হলো, কিন্তু মায়ের কোল আর ভরে না। ক দিন পর পর থানা থেকে ফোন আসে, দৌড়ে ছুটে যায় মা সন্তানের লাশ সনাক্ত করতে। যাত্রা পথে ভয় পেয়ে ফিরে যেতে চায় মা, কি করে…

মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয়

মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় নিজের পকেটে একটা আলাদিনের চেরাগ রাখি। যখন তখন ঘষা দিয়েই পূরণ করে নিবো ইচ্ছেমত সব আবদার। এমন এমন সব আবদার করবো দৈত্যই অবাক হয়ে যাবে। – ইচ্ছে হলেই বলবো যাওতো ঐ যে লোকটা রাস্তার ধারে হিসু করছে ওর কানের নীচে কষে একটা চড় মেরে আসো। –…

শেষ রাতে

শেষ রাতে যেদিন তোমায় শুনিয়েছিলাম হ্রদয়ের গল্প সেদিন থেকেই তোমার চোখে সূচনা হয়েছিল প্রেমর অল্প স্বল্প। আমি গন্ধ এনেছিলাম মুঠো ভরে জোনাক পোকার আলোয়। চাঁদের ঐ রুপোলী আলো রেখেছি আজো কৌটোয় ধরে। এক নিমিষে ছুঁতে পারি তোমার ছুঁয়ে দেয়া আঙ্গুল। অভিমানী তুমি বড্ড বেশী কবেই দিয়েছো আড়ি। – তসৌ –…

চিলে কোঠার রোদ্দুরে

চিলে কোঠার রোদ্দুরে চোখ দেবে যায় নিরবে, ভাবলেশহীন নির্লিপ্ততা ঠোঁটের শুষ্ক আদরে। আমি কে প্রশ্ন ভীষণ আত্না কাঁদে অস্থিরতায়, হৃদয়ে ভেজা শিউলি নিরবে বিলায় জীবন। – তসৌ ০৩-০৭-১৭

স্পর্শ খুঁজি

ঘুমিয়ে থাকবো বলে জেগে থাকি রোজ ভোরে তোমার আলিংগন, স্পর্শ, আমি আজীবন গায়ে মাখি। এভাবেই প্রতিদিন, আদরে, আবদারে; আমার আঙিনায় তোমার শব্দ শুনি। স্পর্শ খুঁজি এখানে ওখানে।

কান্না লুকানো

কান্না লুকানো রোজ রাতে বালিশে শূন্যতা, হতাশা মিছেমিছি নালিশে। চোখ ছুঁয়ে নোনা জল নিরাকার, পাথর হৃদয়ে শব্দরা চিৎকার। হিম হিম বাতাশে কাঁপুনি একা একা বুক জুড়ে ঝাঁকুনি। এই তুমি তুমি ছিলে রোজ ভোরে আদরের মিছিলে। কানামাছি চাঁদের আলোতে অবয়ব তীক্ষ্ণ আদুরে জানালাতে। রোজ আমি খুঁজে যাই এই তুমি তুমি নাই।…

এক মুঠো আদ্রতা

হৃদয় উজাড় করা ভালোবাসাটুকু এক মুঠো আদ্রতা, আর স্পর্শ সবটুকু সুখ, শুধু তুমি। আমার উঠোন জুড়ে তোমার বিচরণ শিহরিত করে হৃদয় আংগিনা। তুমি আছো বলে সুখে ভাসি, দু:খ এসে ধরা দেয় আবার। এই ভালো আর মন্দ মিলিয়ে মিশিয়ে দখিন দুয়ার মেলে ধরে আছি। আজন্ম তোমায় পাবার নেশা অরহ্নিশি জাগি, ছুয়ে…

সময়গুলো এমন কেন

সময়গুলো এমন কেন এই ভালো এই মন্দ, সদর দরজা খোলা ছিল এখন আবার বন্ধ। দুচোখ থেকেও তাইতো আমি আজ আবধি অন্ধ। হৃদয় জুড়ে বিকট আর উৎকট পোড়া গন্ধ, সুখ ছেড়ে তাই সারা বিকেল দুখের সম্মন্ধ। হৃদয় পুড়ে অংগার হলো সবটুকু নয় মন্দ। হৃদ মাঝারে ধারন করে, হৃদয় দুয়ার বন্ধ। বুক…

এক ফালি চাঁদ

এক ফালি চাঁদ আর এক রাত জোনাকি আধারের বুক চিড়ে চাঁদ জ্বলা দেখোকি? আধার গুচিয়ে ভোর হলো দেখে যাও, হৃদয়ের গহীনে তোমার কন্ঠ, শুনতে কি পাও?

এইটুকু হৃদয়

এইটুকু হৃদয় এ তুমি আছো জুড়ে, আমার আপন হৃদয় দিয়েছি জমা তোমার আদরে আবডালে ছুঁয়ে আছে। বাড়ছে প্রতিনিয়ত শরীরে, বাড়ছে প্রেম। ভীষণ সুখে মেখে ছুতে চাই তোমার অধর, আজন্ম তোমাকে পাবার ইচ্ছে বেড়েছে রোজ। তোমাকে চাই, কতটা চাই, যতটা চাই ততটাই যেন পাই আত্মার আত্মীয় করে।

আমি পথে হাটি, পথে হারাই

আমি পথে হাটি, পথে হারাই হাটি আপন মনে, ভীষন আনমনে। গোপনে তোমারে খুঁজি, খুঁজি ভীষন ঝড়ে আমার আপনাতে, আপন হৃদয় দিয়ে।। মাঝ রাত্তিরে বৃক্ষরাজি জ্যোৎস্না স্নানে গেলে, জোনাক পোকা আপন আলোয় ভুবন রাঙ্গালে, নীলচে রঙের কাব্যগুলো রোজ ফুরিয়ে গেলে, চোখ ধাঁধানো রঙ্গের খেলা চোখে সয়ে গেলে, গোপনে তোমারে খুঁজি, খুঁজি…

একা হৃদয়

জানিনা কেমন করে তোমায় আমি পাবো? জানিনা কি ভুল হলে তোমাকে হারাবো? কেমন করে তোমায় আমি হৃদয়ে জড়াবো? শুন্য বিকেল পূর্ণ করে কষ্টকে সরাবো।। আজো আমি একা আছি একা হৃদয় নিয়ে দুখরা সব হৃদয় মাঝে গিয়েছে যে সয়ে। ভীষন ঝরে হাবুডুবু অন্তহীন এ জ্বালা এবার আমি তোমায় পাবো আমার সুখের…

রাত জাগা

রাত জাগা তারা আনন্দে আত্মহারা বিলিয়ে জীবন একাকি এই ক্ষনে খুঁজে ফিরি হৃদয় আর তোমার ঐ চোখ আজীবন চেয়ে থাকবো বলে। নন্দিনী তুমি অপ্সরী আর নীলচে জলের কাব্য।

তোমাকে ছুঁয়েছি

তোমাকে ছুঁয়েছি, ছুঁয়েছি আজন্ম, বহুবার। ইচ্ছেদের কমতি নেই, অবসর নেই। অনন্তকাল ধরে খুঁজে খুঁজে তোমার অবয়ব, তোমার চিনহ বয়ে যাবো হ্রিদয়ে। বিশাল অরন্য, সমুদ্দুরের প্রান্তসীমা, অসীম আকাশ, শংখচিল, আমার দুজোড়া চোখ তোমার প্রতিক্ষায়, তুমি আসবে বলে এতো আয়োজন। তোমাকে ছুঁয়েছি, ছুয়ে যাবো আজন্ম, তোমার অধর জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা, নীল…

শিশির ছুঁয়ে

আমি ভোরের শিশির ছুঁয়ে তোমার অধর ভিজিয়ে যাবো। ক্লান্ত পায়ে হেটে এসে তোমাকে জড়াবো আপন ভালোবাসায়, স্বপ্নবান আমি। তোমার খোলা চুলে মায়াবী এ চাঁদ আগ্রহ ভরে আদর আকে কল্পনাতে। তোমার চিবুকে এলোমেলো স্পর্শ আমার ব্রিদ্ধায়াংগুলী উষনতা খুঁজে। বারংবারতা তোমার কাছে টেনে আনে আমাকে, আমি অপলক হই তোমার চোখে চেয়ে। এ…

জোনাকপোকা

তুমি জোনাকপোকা মিটিমিটি জলছো তুমি হাবুডুবু মন পুকুরে ডুবছো। তুমি নীলচে পরীর আভায় মিশে থাকছো কেবল আশেপাশে। চাঁদের আলো জুড়ে আছে ভুবন তুমি অপ্সরী তাই জানে অন্তর আর এই মন।

তুই না থাকলে

তুই না থাকলে দিন কাটানো বড্ড ভীষণ দায় মন খারাপ আর একাকিত্ত ভীষণ ভাবে পায়। তুই ছাড়া মুহূর্তরা ভীষন সাদা কালো হাত ঘড়িটা সময় দিচ্ছে বিচ্ছিরি এলোমেলো। সকাল হতেই জানালাতে ভীষন অন্ধকার আজকে দিনের আকারটাও বড্ড নিরাকার। যেমন করে লেখার খাতা শুন্য রয়ে যায় তুই ছাড়া মনটাও ভীষন পাগল প্রায়।…

আনমনে

বড় বেশি আনমনে আজ সারাদিন বারান্দায় তোমার ছায়া খুঁজেছি, রোদের তেজ ছিল না তাই ছায়া হয়েও পেলাম না দেখা, আনমনে তাই অপেক্ষায়। তুমি বড্ড বেশি বেখেয়ালি, বুঝোনা, হয়ত বুঝেও বুঝতে চাও না। আজ দিন কাটিয়ে দিলাম তোমার অপেক্ষায়, আজ কেন? রোজ ভোরেও আছি।

পাখি

চোখের আলো তুই যে আমার মিষ্টি একটা পাখি, তুই শতকোটি আদর আমার বুকের ভেতর রাখি।

মরুভুমি

সে বলে কে তুমি? আমি বলি মরুভুমি। ধুলোয় লুটিয়ে পড়ে, বিস্মৃত অজ্ঞাতসারে।।

লজ্জা হতাশায় ডুবতে বসেছে মান সম্মান

চারপাশে দারুন সব খবর, পত্রিকা ওয়ালাদের দারুন ব্যস্ততা, টকশোতে ধুন্ধমার বাক যুদ্ধ, চলছে চলবে। আবার হতাশা আবার লজ্জা, আবার ডুবতে বসেছে মান সম্মান। এবার লজ্জায় ডুবতে বসেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। লজ্জা এই জন্য, কতগুলো অযোগ্য লোকের হাতে জীবনটা সঁপে রেখেছেন। যাদের কোন লজ্জা নেই আর লজ্জা নেই বলেই নিজের মাকেও এরা…

বাবা – সবচেয়ে সুন্দর শব্দ

আমার বাবা দুই অক্ষরের সবচেয়ে সুন্দর শব্দ কি? প্রায় শতভাগ মানুষের জবাব হতে পারে শব্দটি “বাবা”। বাবা একজন মানুষ, যে মানুষটি সংসারে সব থেকে অবহেলিত একজন মানুষ। এই অবহেলার জন্য অবশ্য বেচারা বাবাই বেশি দায়ী। তার কয়েকটা কারন বলি – ১। বাবাদের সব মিলিয়ে ৪ কি ৫টি জামা থাকে যা…

গুজব

শুধু এইটাই বলতে চেয়েছি, সব কিছু বিশ্বাস করতে নেই। রোহিঙ্গাদের কষ্ট দুর্দশা আজকে হাস্যকর করে ফেলেছি এই আমরাই। এইসব মিথ্যে কেন প্রচার করতে হবে? এতোটা নিচে কেন নামতে হবে? আমরাতো জানিই ওদের উপর অত্যাচার হচ্ছে আমাদের উচিৎ প্রতিবাদ করা তা না করে গুজব ছড়াচ্ছি। পক্ষান্তরে বিবিসি, আলজাজিরা এ নিয়ে রিপোর্ট…

অযুহাত

এই মেয়ে অযুহাতে দূরে সরে যেও না, আলগোছে এলো চুল বেঁধে তুমি রেখোনা, অসীম সমুদ্দুর যে চোখ, ঢেউগুলো ছুঁয়োনা, তোমার অবেলার হাসি লুকিয়ে ফেলোনা, ক্ষুর ধার তীক্ষ্ণ চাহুনি, আড় চোখে চেয়োনা, লুটপাট হয়ে গেলে আকাশের গা বেয়ে জলের ফোঁটা, তুমি দু হাত পেতে ভরে নিয়ো না।

“ইশ” ও বাংলাদেশের ক্রিকেট

“ইশ” এই শব্দটি এখন খুব মিস করি। এই আফসোস জনিত “ইশ” শব্দটি একটা সময় বাংলাদেশ দল যখন মোটামুটি খেলতে শুরু করলো বা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সবে পা রেখেছে তখন অনেক বেশী করে উচ্চারিত হতো আমাদের মুখে মুখে। ইশ যদি আজকে আশ্রাফুল আর ২০টা রান বেশী করতো? ইশ আজকে যদি পাইলট এমন…

এলোকেশী চুল

যদি নাই পারো খোপায় বাঁধতে ফুল, বেধোনা, ছড়িয়ে দিও এলোকেশী চুল। যদি নাই পাও সোনালী আলোর দেখা দেখোনা, ভোরের আলোয় গা ভাসিয়ে দিও। আলগোছে তুলে রাখা এক ফালি চাঁদ তোমার বারান্দায় ফেলে এসেছি। রোজ রাতে তাই রুপোলী রঙ ঝাপসা জানালার লুটোপুটি যায়। যদি নাই পারো ভালবাসা দিতে বেসোনা, ঘৃণার বাগানে…

কন্যা, জায়া, জননী

একটা বিজ্ঞাপনের জন্য ১০জন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রিকে বাছাই করা হলো কিন্তু কাউকেই জানানো হয়নি ঠিক কি হবে বা কি করতে হবে তাদেরকে। যথারীতি পরিচালক এক একজন করে ডাকলেন একটা বন্ধ ঘরে লাইট, ক্যামেরার সামনে তাদের কে বলতে বলা হলো মা শব্দটা নিয়ে। সবাই এক এক করে মা কি তা বলার…