তোমার স্পর্শ থাকুক না সারাক্ষণ জুড়ে

দিন দিন অনেক দূরে চলে যাচ্ছে সমুদ্রের সীমা রেখা। বিস্তীর্ণ জলরাশি, গাঙচিল, অনেকগুলো পাখি, সাদা একটা আকাশ, ডিঙ্গি নৌকাগুলো মাঝি মাল্লাহীন হয়ে অনন্তযাত্রা অনন্তকালের দিকে। সব আজ ফিকে হয়ে যাচ্ছে। রঙহীন হয়ে জলের সাথে মিশে গেছে জলেরই রঙে। আকাশের আজ রঙ ছড়াবার রঙ নেই। গাঙচিল অজানায় উড়ে যায়। তার কন্ঠরুদ্ধ হয়েঅবাক চেয়ে রয়। ডানা ঝাঁপটায় শক্তিহীন হয়ে। বিস্তীর্ণ জলরাশি থমকে যায়। আমি ঠায় দাঁড়িয়ে দেখছি। আর ভাবছি কাল না আকাশে রঙ ছিল? কাল না পাখিরা ডেকে যাচ্ছিল? জলের খেলা দেখেছিলাম? দিন শেষে সবই মায়া, কায়া বা ছায়া।

আমার একটা জগত আছে যেখানে সব আছে। একটা আকাশ; তাকিয়ে থাকার জন্য, একটা সবুজ মাঠ হেঁটে যাবো বলে। তুমি না বলেছিলে আমার হাতে হাত রেখে হেঁটে যাবে আমার সাথে? ও একটা সমুদ্র আছে, আমার কান্না শুষে নেবার জন্য। বৃষ্টি হবে আমার চোখের জল ভাসিয়ে দেবে বলে। তোমাকে বলেছিলাম কখনো? বৃষ্টিতে কান্না আসে যখন তখন বৃষ্টি ছাড়া কেউ বুঝে না কান্না কাকে বলে। আমি তাকিয়ে থাকতে চেয়েছি আকাশে কিন্তু পারিনা তোমার হাত এসে ঢেকে দেয় আমার চোখ। আমি আর তাকাতেও চাই না। তোমার স্পর্শ থাকুক না সারাক্ষণ জুড়ে।

(Visited 1 times, 1 visits today)